Showing posts with label district. Show all posts
Showing posts with label district. Show all posts

Jaipurhat-জয়পুরহাট

জয়পুরহাট জেলা বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের রাজশাহী বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল।

পরিচ্ছেদসমূহ

  • ভৌগোলিক সীমানা
  • প্রশাসনিক এলাকাসমূহ
  • ইতিহাস
  • অর্থনীতি
  • বিশিষ্ঠ ব্যক্তিত্ব
  • প্রধান শস্য
  • রপ্তানী পণ্য
  • চিত্তাকর্ষক স্থান
  • আনুষঙ্গিক নিবন্ধ
  • ১০ তথ্যসূত্র

ভৌগোলিক সীমানা

জয়পুরহাট জেলার উত্তরে রয়েছে গাইবান্ধা জেলা, দিনাজপুর জেলা এবং ভারত সীমান্ত, দক্ষিণে রয়েছে বগুড়া জেলা ও নওগাঁ জেলা, পূর্বে বগুড়া ও গাইবান্ধা জেলা, এবং পশ্চিমে নওগাঁ জেলা ও ভারত সীমান্ত। জেলাটির মোট এলাকার পরিমাণ ৯৬৫.৮৮ বর্গ কিলোমিটার।

প্রশাসনিক এলাকাসমূহ

জয়পুরহাট জেলা ৫টি উপজেলায় বিভক্ত। এগুলি হলঃ
  • পাঁচবিবি উপজেলা
  • কালাই উপজেলা
  • ক্ষেতলাল উপজেলা
  • আক্কেলপুর উপজেলা
  • জয়পুরহাট সদর উপজেলা
এছাড়া এখানে ৪টি পৌরসভা, ৩২টি ইউনিয়ন, ৯৮৮টি গ্রাম, ও ৭৬২টি মৌজা রয়েছে। [১]

ইতিহাস

অর্থনীতি

এখান কার মৃৎ শিল্পের কাজ এখন বিলুপ্তির পথে।

বিশিষ্ঠ ব্যক্তিত্ব

জমিদার গোলাম আকবর চৌধুরী, নাছির মন্ডল

প্রধান শস্য

ধান, আলু, ইক্ষু, কলা

রপ্তানী পণ্য

চিত্তাকর্ষক স্থান

  • বেল আমলা বড় শিবালয় (শিব মন্দির), জয়পুরহাট সদর
  • পাগলা দেওয়ান বধ্যভূমি, জয়পুরহাট সদর
  • পাথরঘাটা মাজার, পাঁচবিবি
  • লোখমা জমিদার বাড়ি, পাঁচবিবি
  • বিমারপাঁটি মঙ্গলবাড়ি, জয়পুরহাট সদর
  • গোপীনাথপুর মন্দির, আক্কেলপুর
  • হিন্দা-কসবা শাহী জামে মসজিদ, ক্ষেতলাল
  • নিমাই পীর মাজার, পাথরঘাটা, পাঁচবিবি
  • আছরাঙ্গা দীঘী
  • নন্দাইল দীঘি, নান্দাইল, কালাই।
  • শিশু উদ্যান,জয়পুরহাট।

Naogaon-নওগাঁ

নওগাঁ জেলা বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের রাজশাহী বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল। নওগাঁ জেলা বরেন্দ্রীয় অংশ। সন্ধ্যাকর নন্দীর ভাষায় বরেন্দ্রী হল "বসুধাশির", ধরিত্রীর মুকুট-মণি (Crest jewel of the earth)। সুতরাং বরেন্দ্রীর অংশ হিসেবে নওগাঁ জেলা অনেক গুরুত্ব বহন করে। বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমভাগে, বাংলাদেশ-ভারত আন্তর্জাতিক সীমারেখা সংলগ্ন যে ভূখন্ডটি ১৯৮৪-র পহেলা মার্চের পূর্ব পর্যন্ত নওগাঁ মহকুমা হিসেবে গণ্য হত, তাই হয়েছে বর্তমান বাংলাদেশের কন্ঠশোভা নওগাঁ জেলা।

পরিচ্ছেদসমূহ

  • ভৌগোলিক সীমানা
  • প্রশাসনিক এলাকাসমূহ
    • ২.১ উপজেলা
    • ২.২ পৌরসভা
  • শিক্ষা প্রতিষ্ঠান
  • নদনদী
  • মুক্তিযুদ্ধে নওগাঁ
    • ৫.১ মুক্তিযুদ্ধের প্রস্তুতি ও প্রতিরোধ
    • ৫.২ পাকহানাদার বহিনীর নওগাঁ দখল
    • ৫.৩ মুক্তিবাহিনীর প্রশিক্ষণ
    • ৫.৪ সম্মুখ সমরে মুক্তিবাহিনী
  • ইতিহাস
  • অর্থনীতি
  • ধর্ম
  • আদিবাসী
  • ১০ দর্শনীয় স্থান
  • ১১ আনুষঙ্গিক নিবন্ধ
  • ১২ বহিঃসংযোগ

capaina bagong-চাঁপাই নবাবগঞ্জ

চাঁপাই নবাবগঞ্জ জেলা বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের রাজশাহী বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল। এটা রাজশাহী বিভাগের অন্তরগত একটি জেলা। ভারত উপমহাদেশ বিভাগের আগে এটি মালদহ জেলার একটি অংশ ছিল।১৯৪৭ সালে এটি মালদহ থেকে আলাদা হয়ে পূর্ব পাকিস্থানে অন্তরভুক্ত হয় এবং রাজশাহি জেলার একটি মহাকুমা হিসেবে গন্য হয়।১৯৮৪ সালে একটি একক জেলা হিসেবে আত্তপ্রকাশ করে। অনেকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ কে আমের দেশ বলে ও জানে।

পরিচ্ছেদসমূহ

  • ভৌগোলিক সীমানা
  • প্রশাসনিক এলাকাসমূহ
  • ইতিহাস
  • অর্থনীতি
  • চিত্তাকর্ষক স্থান
  • তথ্যসূত্র
  • আরও দেখুন

Rajshahi-রাজশাহী

রাজশাহী বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের (উত্তরবঙ্গের) একটি প্রধান শহর | এটি রাজশাহী বিভাগ এর রাজশাহী জেলার অন্তর্গত । রাজশাহী শহর বিখ্যাত পদ্মানদীর তীরে অবস্থিত। এটি রাজশাহী বিভাগের বিভাগীয় শহর। রাজশাহী শহরের নিকটে প্রাচীন বাংলার বেশ কয়েকটি রাজধানী শহর অবস্থিত। এদের মাঝে লক্ষণৌতি বা লক্ষনাবতি, পুন্ড্র ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। রাজশাহী তার আকর্ষণীয় রেশমীবস্ত্র (Silk), আম, লিচু এবং মিস্টান্নসামগ্রীর জন্য প্রসিদ্ধ। রেশমীবস্ত্রের কারণে রাজশাহীকে রেশমনগরী (Silk City) নামে ডাকা হয়। রাজশাহী শহরে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে যাদের অনেকগুলির খ্যাতি দেশের গণ্ডি ছাড়িয়ে বিদেশেও ছড়িয়ে পড়েছে। নামকরা এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য রাজশাহী শহর শিক্ষানগরী নামেও পরিচিত। রাজশাহী শহরে এবং এর আশেপাশে বেশ কিছু বিখ্যাত ও ঐতিহাসিক মসজিদ, মন্দির ও উপাসনালয় রয়েছে।

পরিচ্ছেদসমূহ

  • ইতিহাস
    • ১.১ প্রাচীন ও মধ্যযুগ
    • ১.২ আধুনিক যুগ
    • ১.৩ রাজশাহীর তথ্য ও প্রযুক্তি
    • ১.৪ মুক্তিযুদ্ধে রাজশাহী
  • নগর প্রশাসন
  • উল্লেখযোগ্য স্থাপনা
    • ৩.১ বরেন্দ্র গ্যালারি অব আর্ট
    • ৩.২ বরেন্দ্র গবেষণা যাদুঘর
  • শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান
    • ৪.১ বিদ্যালয়
    • ৪.২ বিদ্যালয় ও মহাবিদ্যালয়
    • ৪.৩ মহাবিদ্যালয়
    • ৪.৪ বিশ্ববিদ্যালয়
  • তথ্যসূত্র
  • বহিঃসংযোগ

Pabna-পাবনা

পাবনা জেলা বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের রাজশাহী বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল।

পরিচ্ছেদসমূহ

  • ভৌগোলিক সীমানা
  • প্রশাসন
  • প্রশাসনিক এলাকাসমূহ
  • ইতিহাস
  • জনসংখ্যা
  • অর্থনীতি
  • যাতায়াত ও যোগযোগ ব্যবস্থা
  • চিত্তাকর্ষক স্থান
  • স্বাস্থ্য সেবা
  • ১০ ধর্ম
  • ১১ নামী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান
  • ১২ পত্রিকা
  • ১৩ আরো দেখুন
  • ১৪ তথ্যসূত্র

Sirajganj-সিরাজগঞ্জ

সিরাজগঞ্জ মধ্য বাংলাদেশে অবস্থিত একটি শহর। এটি ব্রহ্মপুত্র নদীর পশ্চিম তীরে, এবং ঢাকা শহর হতে প্রায় ১১০ কিলোমিটার (৭০ মাইল) উত্তর পশ্চিমে অবস্থিত।
বঙ্গবন্ধু সেতুর পশ্চিম প্র্রান্তে অবস্থিত সিরাজগঞ্জ জেলা উত্তরবঙ্গের প্রবেশ দ্বার হিসেবে সুপরিচিত। যমুনা নদী বিধৌত এ জেলার ভৌগলিক, সামাজিক, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গন বৈচিত্রময়। এ জেলাটি দুর্যোগপ্রবণ এলাকা হিসেবে পরিচিত। জেলার ৯টি উপজেলার মধ্যে ৫টি উপজেলাই যমুনা নদীর তীরে অবস্থিত। ফলে নদী ভাঙ্গন এ জেলার জনসাধারণের নিত্য সঙ্গী। এছাড়া বিস্তীর্ণ অঞ্চল জুড়ে চলনবিলের অবস্থান। ভৌগলিক কারণেই বন্যা, খরা, নদী ভাঙ্গনসহ বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগে এ জেলার জনসাধারণ জর্জরিত। সব মিলিয়ে দারিদ্র, বেকারত্ব এবং বিভিন্ন ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ এ জেলার আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের পথে অন্তরায়।
শহরটি সিরাজগঞ্জ জেলার প্রধান শহর। এখানে ১৫টি ওয়ার্ড এবং ৫২টি মহল্লা রয়েছে। ২০০১ সালের আদম শুমারি অনুযায়ী এর জনসংখ্যা ১২,৭১৪।
সিরাজগঞ্জ শহরকে এক সময় কলকাতা ও নারায়ণগঞ্জ এর সমতুল্য পাট ব্যবসায় কেন্দ্র হিসাবে গণ্য করা হত। বর্তমান কালেও এটি পাট ব্যবসায়ের একটি প্রধান কেন্দ্র, এবং সড়ক, রেল ও নৌপথে দেশের অন্যান্য অংশের সাথে যুক্ত। এখানকার পাট কল গুলি তদানিন্তন বাংলা প্রদেশের প্রথম দিককার পাট কলের মধ্যে পড়ে।

পরিচ্ছেদসমূহ

  • ভৌগোলিক অবস্থান
  • জনসংখ্যা
  • শিক্ষার হার
  • জেলার ইতিহাস
  • বহিঃসংযোগ

Bogra-বগুড়া

বগুড়া উত্তরবঙ্গের একটি শিল্প ও বাণিজ্যিক শহর। এটি রাজশাহী বিভাগ এর অন্তর্গত। বগুড়াকে উত্তরবঙ্গের প্রবেশদ্বার বলা হয়। বগুড়া শহরের আয়তন ৭১.৫৬ বর্গকিলমিটার যা ২১ টি ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত । বগুড়া শহরে "শহীদ চান্দু" নামে একটি আন্তর্জাতিক মানের ক্রিকেট স্টেডিয়াম রয়েছে এছাড়া জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (সরকারি) শহর থেকে সামান্য দুরেই অবস্থিত । বগুড়া দইয়ের জন্য খুব বিখ্যাত । বগুড়া শহরে থেকে ১১ কিঃমিঃ উত্তরে মহাস্থানগড় অবস্থিত, যা একসময় প্রাচীন বাংলার রাজধানী ছিল এবং সেসময় পুণ্ড্রনগর নামে পরিচিত ছিল। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর কমান্ডার এবং জেড ফোর্সের প্রধান মেজর জিয়াউর রহমান বগুড়ার জেলার গাবতলী উপজেলায় জন্মগ্রহন করেন।

পরিচ্ছেদসমূহ

  • ইতিহাস
  • ভৌগোলিক অবস্থান
  • যোগাযোগ ব্যবস্থা
  • উপজেলাসমূহ
  • প্রধান নদীসমূহ
  • অর্থনীতি
  • পর্যটন
  • সংস্কৃতি
  • শিক্ষা
  • ১০ প্রতিষ্ঠান সমূহ
  • ১১ উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিত্ব
  • ১২ তথ্যসূত্র
  • ১৩ বহিঃসংযোগ

ইতিহাস

ইতিহাস থেকে জানা যায় বাংলার প্রাচীনতম একটি শহর বগুড়া। ভারতের রাজা "আশকা" বাংলা জয় করার পর এর নাম রাখেন পুণ্ড্রবর্ধন । ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় বগুড়া ১১ নং সেক্টরের অধীনে ছিল ।

ভৌগোলিক অবস্থান

মহাস্থানগড়
বগুড়া শহর করতোয়া নদীর কোল ঘেঁষে অবস্থিত ।করতোয়া নদী উত্তর থেকে দক্ষিণে প্রবাহিত হয়ে বগুড়াকে দুই ভাগে বিভক্ত করেছে । বগুড়ার উত্তরে গাইবান্ধা ও জয়পুরহাট জেলা পশ্চিমে নওগাঁ জেলা, দক্ষিণে সিরাজগঞ্জ জেলা এবং পুর্বে যমুনা নদী ।

যোগাযোগ ব্যবস্থা

ট্রেন, বাস উভয় পথেই রাজধানী ঢাকার সাথে যোগাযোগ রয়েছে, এছাড়া শহরের অদূরে কাহালুতে রয়েছে একটি বিমানবন্দর ।

উপজেলাসমূহ

  1. বগুড়া সদর
  2. কাহালু
  3. শিবগঞ্জ
  4. গাবতলি
  5. সোনাতলা
  6. ধূনট
  7. আদমদীঘি
  8. দুপচাঁচিয়া
  9. নন্দীগ্রাম
  10. শাজাহানপুর
  11. সারিয়াকান্দি
  12. শেরপুর
  13. মিনি দুপচাঁচিয়া

প্রধান নদীসমূহ

  1. করতোয়া
  2. বাঙ্গালী
  3. যমুনা
  4. নাগর

অর্থনীতি

সাম্প্রতিক বছর গুলোতে বগুড়া শহরের অবকাঠামোগত প্রচুর উন্নতি সাধিত হয়েছে । নতুন শহর পরিকল্পনার মাধ্যমে রাস্তাগুলো পুননির্মান এবং দু লেনে উন্নিতকরণ করা হয়েছে । এখানকার মাটি বেশ উর্বর এবং এখানে প্রচুর শস্যের উৎপাদন হয় । বিগত কয়েক বছরে বগুড়ায় লাল মরিচের উৎপাদন ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে যা কিনা ১০০ কোটি টাকার ব্যাবসায় পরিণত হয়েছে । ব্যাবসা- বাণিজ্যের উন্নতির সাথে সাথে এখানকার ব্যাংকিং ব্যাবস্থাপনাতেও এসেছে নতুন মাত্রা । সরকারি বেসরকারি প্রায় সব ব্যাংকের একটি করে শাখা রয়েছে এখানে । ২৪ ঘন্টাই শহরের যে কোনো প্রান্তে এটিএম বুথ খোলা পাওয়া যায় । ২০০৮ সালে ফ্রান্সের একটি ব্যাবসায়িক প্রতিষ্ঠান ড্যানোন গ্রুপ গ্রামীণ গ্রুপের সাথে যৌথভাবে শক্তিদই তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে ।

পর্যটন

পর্যটনের জন্য রয়েছে প্রত্নতাত্ত্বিক ভাবে বিখ্যাত "মহাস্থানগড়" যা হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ সবার কাছেই পবিত্র একটি স্থান । এছাড়াও আছে বেহুলা লক্ষ্মীন্দরের বাসর ঘর, গোকুল মেঢ়, ভাসু বিহার, যোগীর ভবণ,‍‍‌ বিহার, ভিমের জঙ্গল, খেরুয়া মসজিদ, শেরপুর । বগুড়া শহরে রয়েছে "নওয়াব প্যালেস" যা ব্রিটিশ আমলে "নীলকুঠী" নামে পরিচিত ছিল । এখানে থাকার জন্য রয়েছে চার তারকা বিশিষ্ট হোটেল "নাজ গার্ডেন" ।

সংস্কৃতি

সুফি, মারাঠি, লালন ইত্যাদি নিয়ে বগুড়ার সংস্কৃতি অত্যন্ত সমৃদ্ধ। বগুড়া থেকে প্রকাশিত কয়েকটি আঞ্চলিক পত্রিকার মধ্যে আছে দৈনিক করতোয়া, দৈনিক বগুড়া, দৈনিক চাঁদনিবাজার, দৈনিক উত্তরাঞ্চল ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।

শিক্ষা

পড়াশুনার জন্য শহরের কেন্দ্রস্থলে রয়েছে "বগুড়া জিলা স্কুল", যা ১৮৫৩ সালে স্থাপিত । নারী শিক্ষার জন্য রয়েছে "সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়" যা "ভিক্টোরিয়া মেমরিয়ালস গার্লস স্কুল" নামেও পরিচিত। এছাড়া রয়েছে "ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ"। ইংরেজি ভার্সনে শিক্ষার জন্য রয়েছে "মিলেনিয়াম স্কলাস্টিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ" ও "বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুল এন্ড কলেজ" যার প্রধান শাখা ঢাকায় । এছাড়া ব্রিটিশ কারিকুলামে শিক্ষার জন্য রয়েছে "ইন্টারন্যাশনাল টার্কিশ হোপ স্কুল", "এডভেন্টিস্ট ইন্টারন্যাশনাল" ও "নর্থ গার্ডেন" । জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্ভুক্ত "সরকারি আজিজুল হক কলেজ" বেশ সুপরিচিত । এছাড়া আছে "সরকারি শাহ সুলতান কলেজ", মুজিবুর রহমান মহিলা কলেজ । কারিগরি শিক্ষার জন্য রয়েছে বগুড়া পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট।
চিকিৎসার জন্য রয়েছে অত্যাধুনিক সুযোগ সুবিধাসম্পন্ন "শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল", প্রতিষ্ঠাকাল ১৯৯২ । এছাড়াও আছে সরকারি নার্সিং কলেজ, মেডিকাল অ্যাসিস্ট্যান্ট ট্রেনিং স্কুল, একটি বেসরকারি মেডিকেল কলেজ ।

প্রতিষ্ঠান সমূহ

বগুড়ার অর্থনীতিকে সচল রাখতে এখানে রয়েছে বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান। এখানে রয়েছে আকবরিয়ার মতো প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী কনফেকশনারী। ভোজন রসিকদের জন্য আছে শ্যামলী, কোয়ালিটি, এশিয়ার মতো খ্যাতিমান রেস্তোরা। থাই,চাইনিজ বা বিদেশী খাবারের জন্য আছে নাজ গার্ডেন(৪ তারকা বিশিষ্ট), সিয়েস্টা, সেফওয়ে, নর্থওয়ে, রেড চিলি-র মতো অভিজাত হোটেল। ব্যাগ, লোহার জিনিস-পত্র তৈরী হয় এমন প্রতিষ্ঠানও রয়েছে এ শহরে। স্থানীয়ভাবে এখানে জুতো তৈরীতে বেশ খ্যাতি রয়েছে আমির এন্ড সন্স, সজল, পায়ে পায়ে ইত্যাদি। শহরের বিসিকে রয়েছে বেশ কিছু শিল্প কারখানা। এর মধ্যে সাবান তৈরীর কারখানা অন্যতম।

উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিত্ব

  • প্রফুল্ল চাকী (১৮৮৮-১৯০৮), ব্রিটিশ বিরোধী আন্দলনের নেতা ।
  • মোহাম্মদ আলী বগুড়া (মৃত্যু ১৯৬৯), কূটনীতিক এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ।
  • মেজর জিয়াউর রহমান (১৯৩৬-১৯৮১) বীর উত্তম, মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর কমান্ডার এবং জেড ফোর্সের প্রধান, প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ।
  • খাদেমুল বাশার (১৯৩৫-১৯৭৬), বীর উত্তম, মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর কমান্ডার এবং বিমান বাহিনী প্রধান ।
  • খানবাহাদুর ইব্রাহিম প্রতিষ্ঠাতা, বগুড়া সমবায় ব্যাংক ,সোনাতলা পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় ।
  • আখতারুজ্জমান ইলিয়াস (১৯৪৩-১৯৯৭), সাহিত্যিক ও গল্পকার ।
  • গাজীউল হক (১৯২৯-২০০৯), ভাষা সৈনিক ।
  • এম. আর. আখতার মুকুল (১৯২৯-২০০৪), লেখক এবং সাংবাদিক ।
  • মুশফিকুর রহিম জাতীয় ক্রিকেট দলের খেলোয়াড় ।
  • রোমেনা আফাজ সাহিত্যিক ।
  • আবু সাইদ চলচিত্র নির্মাতা ।
  • তারেক জিয়া
  • এনামুল হক