Showing posts with label DISTRICT TOUR. Show all posts
Showing posts with label DISTRICT TOUR. Show all posts

ঢাকার দর্শনীয় স্থান- Dhaka, bangladesh Tour

ঢাকার দর্শনীয় স্থান
চিড়িয়াখানা
ঢাকার মিরপুরে অবস্থিত ঢাকা চিড়িয়াখানায় আছে বাংলাদেশী সব পশুপাখি। অনেক দুর্লভ প্রজাতির সব প্রাণী দেখতে পাওয়া যাবে এখানে। প্রবেশ মূল্য ১০ টাকা।
জাতীয় উদ্ভিদ উদ্যান বোটানিক্যাল গার্ডেন
ঢাকার মিরপুর চিড়িয়াখানা সংলগ্ন বোটানিক্যাল গার্ডেন গাছগাছালিতে সমৃদ্ধ। এখানে প্রায় ১৫ একর জমির ওপর প্রতিষ্ঠিত এই উদ্যানে ছিল পৃথিবীর বিভিন্ন জলবায়ু অঞ্চলের বহু কৃষিজ, জলজ ও শোভাময় উদ্ভিদ। প্রবেশ মূল্য : পাঁচ টাকা।
বলধা গার্ডেন
ঢাকার ওয়ারীতে অবস্থিত বলধা গার্ডেন। নিসর্গী ও দর্শকদের জন্য বলধা গার্ডেন অত্যন্ত আকর্ষণীয় স্থান এবং উপমহাদেশের এতদঞ্চলের ফুলের শোভা উপভোগের অন্যতম প্রখ্যাত ও ঐতিহাসিক উদ্যান। এটি প্রতিদিন খোলা থাকে। প্রবেশ মূল্য পাঁচ টাকা। অনূর্ধ্ব ১০ বছরের শিশুদের েেত্র প্রবেশমূল্য দুই টাকা।
রমনা পার্ক
নিসর্গপ্রেমীদের জন্য রমনা অত্যন্ত আকর্ষণীয় স্থান। শহরের মূল কেন্দ্রে এর অবস্থান। শহরের বুকে এমন প্রকৃতি উপভোগের অন্যতম প্রখ্যাত ও ঐতিহাসিক উদ্যান আর নেই। পার্কে প্রবেশের কোনও রকম প্রবেশ ফি লাগে না।
আহসান মঞ্জিল জাদুঘর
পুরনো ঢাকার সদরঘাট সংলগ্ন বুড়িগঙ্গার তীরে অবস্থিত আহসান মঞ্জিল। প্রবেশ মূল্য জনপ্রতি ১০ টাকা। বিদেশি পর্যটকদের জন্য ৫০ টাকা।
কার্জন হল
কার্জন হল ঢাকাতে অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক ভবন, যা পুরাকীর্তি হিসেবে স্বীকৃত। ১৯০৪ সালে ভারতের তৎকালীন ভাইসরয় এবং গভর্নর জেনারেল জর্জ কার্জন এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। বর্তমানে এটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান ও জীববিজ্ঞান অনুষদের কিছু শ্রেণীক ও পরীার হল হিসেবে ব্যবহƒত হচ্ছে।
জাতীয় জাদুঘর
ঢাকার শাহবাগে গেলে যে জিনিসটি আপনার সবার আগে নজরে পড়বে তা হল জাতীয় জাদুঘর। এর প্রবেশ মূল্য ৫ টাকা।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব নভোথিয়েটার
বিজয় সরণিতে আছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব নভোথিয়েটার। এখানে দেখা যাবে আকাশ, নত্র,তারকারাজির উজ্জ্বল উপস্থিতি। প্রদর্শনী শুরু হয় সকালের প্রদর্শনীর এক ঘণ্টা আগে এবং অন্যান্য প্রদর্শনীর দুই ঘণ্টা আগে কাউন্টার থেকে টিকিট সংগ্রহ করা যাবে। এখানে একই সময়ে ক্যাপসুল রাইড সিমুলেটরে ২০ টাকায় চড়া যাবে। সর্বোচ্চ ৩০ জন ধারণমতা সম্পন্ন এই রাইডে আপনিও চড়তে পারেন। টিকিট মূল্য ৫০ টাকা।
শহীদ জিয়া শিশু পার্ক
শহীদ জিয়া শিশু পার্ক শাহবাগে অবস্থিত। সাপ্তাহিক বন্ধ রোববার। প্রতিটি রাইডে চড়ার জন্য মাথাপিছু ছয় টাকার টিকিট দরকার হয়।
জাতীয় স্মৃতিসৌধ
সাভারে অবস্থিত আমাদের অহংকার জাতীয় স্মৃতিসৌধ। এটি দেখতে হলে আপনাকে যেতে হবে ঢাকার সাভারে।
যেভাবে যাবেন
ঢাকায় বেড়াতে এসে যোগাযোগ করে নিতে পারেন নির্ধারিত তথ্যকেন্দ্র থেকে। প্রতিটি জায়গায় বাস,সিএনজি, রিকশা চলাচল করে।

নারায়ণগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ, নরসিংদীর দর্শনীয় স্থান- Narayangong, munsigang, Narsingdi, bangladesh tour

নারায়ণগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ, নরসিংদীর দর্শনীয় স্থান
নারায়ণগঞ্জের দর্শনীয় স্থান
বাংলার তাজমহল
ঢাকা থেকে নারায়ণগঞ্জের দূরত্ব মাত্র ১৭ কিলোমিটার। নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁওয়ের পেরাবে গড়ে উঠেছে বাংলার তাজমহল। এই তাজমহল দেখতে হলে আপনাকে যেতে হবে সোনারগাঁওয়ের পেরাবে। এন্ট্রি ফি ৫০ টাকা। দেখতে পাবেন আগ্রার তাজমহলের অনুকরণে তৈরি করা হয়েছে বাংলার তাজমহলটি।
সোনারগাঁ জাদুঘর
ঢাকার ঐতিহাসিক নগরী সোনারগাঁ। বাংলার এক সময়ের রাজধানী এই সোনারগাঁয়ে গড়ে তোলা হয়েছে জাদুঘর।
লোকশিল্প জাদুঘর
সোনারগাঁয়ের পানামে রয়েছে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের স্বপ্নে গড়া লোকশিল্প জাদুঘর।
রূপগঞ্জ রাজবাড়ি
ঢাকা সিলেট মহাসড়কের মধ্যেখানেই রূপগঞ্জ। সেখানে আছে প্রায় শতবর্ষী রাজবাড়ি। অপূর্ব এই রাজবাড়ীর কারুকার্যমন্ডিত সৌন্দর্য দৃষ্টিনন্দন।
বিখ্যাত খাবারের নাম
নদী সমূহ শীতলক্ষ্যা, মেঘনা, পুরাতন ব্রক্ষপুত্র,বুড়িগঙ্গা, বালু এবং ধলেশ্বরী নদী
যেভাবে যাবেন
সায়েদাবাদ বাসস্ট্যান্ড থেকে অথবা গুলিস্তান থেকে নারায়ণগঞ্জের সর্বত্র যাবার বাস আছে।
মুন্সিগঞ্জের দর্শনীয় স্থান
ইদ্রাকপুর দুর্গ
মুন্সীগঞ্জ ডাক বাংলোর পাশেই এ দুর্গটি অবস্থিত। ঢাকা থেকে সড়কপথে ফেরি পার হয়ে অল্প সময়েই পৌঁছা যায় মুন্সীগঞ্জ। গুলিস্তান থেকে এসব গাড়ি ছাড়ে।
রঘুরামপুরে প্রাচীন বৌদ্ধবিহার
কিছুদিন আগেও যে জমিতে ফসলের চাষ করা হতো,সে জমির নিচেই আবিষ্কৃত হলো হাজার বছরের পুরনো বৌদ্ধবিহার। মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার রামপাল ইউনিয়নের রঘুরামপুর গ্রামে এ বৌদ্ধবিহার আবিষ্কৃত হয়। ঢাকার গুলিস্তান মোড় থেকে দীঘিরপাড় ট্রান্সপোর্টের বাসে নামতে হবে ধলাগাঁও বাজারে। ভাড়া ৬০ টাকা। সময় লাগবে প্রায় দুই ঘণ্টা। বাজার থেকে হেঁটে যাওয়া যাবে বিহারে।
বিখ্যাত খাবারের নাম সিরাজদিখানের পাতক্ষীরা
নদী সমূহ পদ্মা, মেঘনা, ধলেশ্বরী ও ইছামতি নদী
যেভাবে যাবেন
ঢাকা থেকে সড়কপথে অল্প সময়েই পৌঁছা যায় মুন্সিগঞ্জ। গুলিস্তান থেকে এসব গাড়ি ছাড়ে।

নরসিংদীর দর্শনীয় স্থান
উয়ারী বটেশ্বর
বাংলাদেশের প্রাচীনতম বাণিজ্যকেন্দ্র ছিল নরসিংদীর বেলাবো উপজেলার উয়ারী বটেশ্বর।
লটকন বাগান: লটকন ফলের সীজনে , লটকন বাগান দেখতে যেতে পারেন নরংসিংদী ,বেলাব উপজেলার আমলাব ইউনিয়নের লাখপুর
বিখ্যাত খাবারের নাম সাগর কলা
নদী সমূহ মেঘনা, শীতলক্ষ্যা, আড়িয়ালখাঁ ও পুরাতন ব্রক্ষ্মপুত্র
যেভাবে যাবেন
এখানে যেতে হলে আপনাকে সায়েদাবাদ থেকে সরাসরি বেলাবোর বাসে যেতে পারবেন।

মানিকগঞ্জ র দর্শনীয় স্থান- Manikgang, bangladesh TOUR

মানিকগঞ্জ র দর্শনীয় স্থান
বালিয়াটি জমিদারবাড়ি 
মানিকগঞ্জ জেলা সদর থেকে ১৭ কিলোমিটার উত্তরে বালিয়াটি গ্রাম। ঢাকা থেকে বড়জোর তিন ঘণ্টার পথ। বসন্তের এক স্নিগ্ধ সকালে আমরা মাইক্রোবাসে করে রওনা দিয়েছিলাম বালিয়াটি জমিদার বাড়ি দেখতে। নাশতার জন্য পথে এক হোটেলে থেমেছিলাম। গরম গরম পরোটা খেতে মজাই হয়েছিল।জমিদার বাড়ির কাছে মাইক্রোবাস থেকে নামতেই দেখি পুকুরপাড়ের পাশে একটা ছোট্ট শিশুপার্ক। শিশুদের আনন্দে বাড়তি মাত্রা যোগ হয়। কিছুক্ষণ হুড়োহুড়ি আর লুটোপুটি করে সিংহদ্বার পেরিয়ে বালিয়াটি প্রাসাদে যাই।
খোলা প্রকৃতির মাঝে বালিয়াটি জমিদার বাড়ি এক মায়াময় রাজ্য। বাড়িটির সম্মুখভাগে চারটি বিশাল প্রাসাদ। প্রাচ্য আর পাশ্চাত্য স্থাপত্যরীতির মিশেলে তৈরি প্রাসাদগুলোর উচ্চতা দূর থেকে প্রায় একই রকম। মাঝখানের দুটি প্রাসাদ দোতলা আর দুই পাশের দুটি তিন তলা। এক নম্বর প্রাসাদটি আগে কলেজ হিসেবে ব্যবহৃত হতো। দর্শনার্থীরা দুই নম্বর প্রাসাদটিই ঘুরে দেখেন বেশি। এখানে জমিদারদের ব্যবহৃত নির্দশনাদি আর রয়েছে সিন্দুক, ছোট-বড় আয়না, ঝাড়বাতি, লণ্ঠন, শ্বেতপাথরের ষাঁড়, টেবিল,পালঙ্ক, আলনা, কাঠ ও বেতের চেয়ারসহ অনেক কিছু। মজলিস কক্ষের দেয়ালে হাতে আঁকা চমৎকার সব ছবি আছে।
এরপর যাই অন্দরমহলে। এখানে ছিল অতিথিদের থাকার জায়গা, রন্ধনশালা এবং পরিচারিকাদের থাকার ঘর। এখানেও একটি পুকুর আছে। পুকুরের চারপাশে অনেকগুলো বাঁধানো ঘাট।
উনিশ শতকের দিকে বালিয়াটি জমিদার বাড়ির ইমারতগুলো নির্মিত হয়। বালিয়াটি জমিদারদের পূর্বপুরুষ গোবিন্দ রায় সাহা ছিলেন লবণ ব্যবসায়ী। গোবিন্দ রায়ের পরবর্তী বংশধর দধি রাম, পণ্ডিত রাম, আনন্দ রাম ও গোলাপ রাম এসব ইমারত প্রতিষ্ঠা করেন। এগুলো গোলাবাড়ি, পূর্ব বাড়ি, পশ্চিম বাড়ি, মধ্য বাড়ি ও উত্তর বাড়ি নামে পরিচিত। গোলাবাড়ির চত্বরে বারুনির মেলা বসত আর পশ্চিম বাড়ির তালপুকুরের ধারে বসত রথ উৎসব। বালিয়াটি জমিদার বাড়ি ৫.৮৮ একর জমির ওপর। সাতটি ইমারতে ঘর আছে ২০০। সমরেন্দু সাহা লাহোরের লেখা বালিয়াটির যত কথা বইটি থেকে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।
১৯৮৭ খ্রিস্টাব্দে বাংলাদেশ সরকারের প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর বালিয়াটি জমিদার বাড়ি অধিগ্রহণ করে এবং এখন এর সংস্কার কাজ চলছে।
পুরনো এই স্থাপত্যের আছে দারুণ আভিজাত্য। এর সৌন্দর্য মনে ঢেউ তোলে।
কিভাবে যাবেন
ঢাকার গাবতলী থেকে মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া বাজার পর্যন্ত বাসে যাওয়া যায়। ভাড়া ৭৫ টাকা। এরপর রিকশায় বালিয়াটি জমিদারবাড়ি যেতে ভাড়া লাগে ১০ টাকা। এ ছাড়া মানিকগঞ্জ থেকে বাসে জমিদার বাড়ি যেতে ভাড়া ১৫ টাকা

গাজীপুরের দর্শনীয় স্থান- Gazipur, bangladesh Tour

গাজীপুরের দর্শনীয় স্থান
ভাওয়াল রাজবাড়ি; গাজীপুর সদরে অবস্থিত প্রাচীন এ রাজবাড়িটি। সুরম্য এ ভবনটিতে ছোট বড় মিলে প্রায় ৩৬০টি কক্ষ আছে। বর্তমানে এটি জেলাপরিষদ কার্যালয় হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
ভাওয়াল জাতীয় উদ্যান : গাজীপুর সদর ও শ্রীপুর থানা জুড়ে অবস্থিত ভাওয়াল জাতীয় উদ্যান। পৃথিবীর অন্যান্য জাতীয় উদ্যানের আদলে ৬৪৭৭ হেক্টর জমিতে ১৯৭৩ সালে এ উদ্যান সরকারি ভাবে গড়ে তোলা হয়। জাতীয় উদ্যানের ভেতরে বেশ কয়েকটি বনভোজন কেন্দ্র, ১৩টি কটেজ ও ৬টি রেস্ট হাউস আছে। উদ্যানে প্রবেশ মূল্য জনপ্রতি ৬ টাকা।
সফিপুর আনসার একাডেমি : জেলার কালিয়াকৈর উপজেলায় অবস্থিত আনসার-ভিডিপি একাডেমির বিশাল চত্ত্বর বেড়ানোর জন্য একটি উপযুক্ত যায়গা। অনুমতি সাপেক্ষে বনভোজন করারও ব্যবস্থা আছে এখানে
সাধু নিকোলাসের গির্জা
কালীগঞ্জ উপজেলার নাগরী গ্রামে সাধু নিকোলাসের গির্জাটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৬৬৩ সালে। অধুনা পুরনো গির্জার পাশেই বড়সড় আরেকটি গির্জা নির্মিত হয়েছে। গির্জার সামনে রয়েছে আট ফুট লম্বা যিশুখ্রিস্টের মূর্তি। ১৮ একর জায়গা নিয়ে তৈরি গির্জা প্রাঙ্গণে আছে বাগান, ফাদারের বাসস্থান, মা মেরির গর্ভগৃহ,সাধু নিকোলাস স্কুল, ছাত্রদের হোস্টেল, ব্রাদার্স হাউস ও সরকারি দুটি প্রাথমিক বিদ্যালয়।
জাগ্রত চৌরঙ্গী
গাজীপুর শহরের বেশ কিছুটা আগে জয়দেবপুর চৌরাস্তায় রয়েছে মহান মুক্তিযুদ্ধের সর্বপ্রথম স্মারক ভাস্কর্য “জাগ্রত চৌরঙ্গী”। ১৯৭১ সালের ১৯ মার্চ গাজীপুরে সংঘটিত প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ সংগ্রামে শহীদ হুরমত আলীসহ অন্যান্য শহীদদের স্মরণে ১৯৭১ সালেই নির্মিত হয় হয় এ ভাস্কর্যটি। এর স্থপতি আব্দুর রাজ্জাক। ভাস্কর্যটির উচ্চতা প্রায় একশো ফুট। আর এর দু “পাশে ১৬ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের ১১ নং সেক্টরের ১০৭ জন এবং ৩নং সেক্টরের ১০০ জন শহীদ সৈনিকের নাম খোদাই করা আছে।
ভাওয়াল রাজ শ্মশানেশ্বরী: ভাওয়াল রাজবাড়ি থেকে প্রায় এক কিলোমিটার উত্তরে মৃতপ্রায় চিলাই নদীর দক্ষিণ তীরে অবস্থিত ভাওয়াল রাজ শ্মশানেশ্বরী। এটি ছিল ভাওয়াল রাজ পরিবার সদস্যদের সবদাহের স্থান। প্রাচীন একটি মন্দির ছাড়াও এখানে একটি সমাধিসৌধ আছে।
সফিপুর আনসার একাডেমি :জেলার কালিয়াকৈর উপজেলায় অবস্থিত আনসার-ভিডিপি একাডেমির বিশাল চত্ত্বর বেড়ানোর জন্য একটি উপযুক্ত যায়গা। অনুমতি সাপেক্ষে বনভোজন করারও ব্যবস্থা আছে এখানে।
আরো আছে নন্দন পার্ক,বলধার জমিদার বাড়ী,বাড়ীয়া;৩পূবাইল জমিদার বাড়ী,পূবাইল,বলিয়াদী জমিদার বাড়ী ,টোক বাদশাহি মসজিদ, চৌরা দিঘি ও মাজার, ঢোলসমুদ্র ইত্যাদি
নদী সমূহ পুরাতন ব্রহ্মপুত্র ,শীতলক্ষ্যা, তুরাগ, বংশী,বালু, বানার, গারগারা ও চিলাই
কিভাবে যাবেন :ঢাকা থেকে গাজীপুর যেতে পারেন রেল ও সড়ক পথে। ঢাকা থেকে দেশের বিভিন্ন রুটে চলাচলকারী প্রায় সব আন্তঃনগর, কমিউটার, মেইল ট্রেনে চড়ে আসতে পারেন গাজীপুর। এছাড়া ঢাকার কাঁচপুর ও যাত্রাবাড়ী থেকে ট্রান্স সিলভা, অনাবিল,ছালছাবিল পরিবহন, লোহারপুল থেকে রাহবার পরিবহন, মতিঝিল থেকে গাজীপুর পরিবহন,ভাওয়াল পরিবহন, অনিক পরিবহন, সদরঘাট থেকে আজমিরি, স্কাইলাইন পরিবহন, গুলিস্তান থেকে প্রভাতী বনশ্রী
কোথায় থাকবেন : ঢাকা থেকে দিনে গিয়ে দিনেই শেষ করা সম্ভব গাজীপুর ভ্রমণ। । কিছূ আবসিক হোটেল হলো হোটেল আল মদিনা, থানা রোডে হোটেল মডার্ণ,কোনাবাড়িতে হোটেল ড্রীমল্যান্ড ইত্যাদি

কিশোরগঞ্জ দর্শনীয় স্থান- Kisorgong, Bangladesh Tour

কিশোরগঞ্জ দর্শনীয় স্থান
ঐতিহাসিক জঙ্গলবাড়ী ঃ ঈশা খাঁর দ্বিতীয় রাজধানী: কিশোরগঞ্জ শহর থেকে ৬ কিঃ মিঃ পূর্বে করিমগঞ্জ উপজেলার কাদিরজঙ্গল ইউনিয়নে জঙ্গলবাড়ীর অবস্থান
দিল্লীর আখড়া : মিঠামইন উপজেলায় অবস্থিত।
এগারসিন্দুর দুর্গ কিশোরগঞ্জ :লাল মাটি, সবুজ গাছগাছালি আর ঐতিহাসিক নিদর্শনে সমৃদ্ধ এগারসিন্দুর। এটি ছিল ঈশা খাঁর শক্ত ঘাঁটি। কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলা সদর থেকে প্রায় আট কিলোমিটার দূরে এগারসিন্দুর।
শোলাকিয়া ঈদগাহ: এশিয়া মহাদেশের সর্ববৃহৎ ঈদগাহ হিসেবে শোলাকিয়া ঈদগাহ সর্বজন বিদিত।কিশোরগঞ্জ শহরের পূর্বপ্রান্তে প্রায় ৬.৬১ একর জমিতে অবস্থিত।
বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য মৈত্রী সেতু (ভৈরব সেতু) ও হাওর অঞ্চল
বিখ্যাত খাবারের নাম কিশোরগঞ্জের তালরসের পিঠা ( চিনির শিরায় ভেজানো)মালাইকারি। ঠিকানা- মদন গোপালের মিষ্টান্ন ভাণ্ডার, গৌরাঙ্গবাজার,কিশোরগঞ্জ,ভৈরবের নকশী পিঠা ,
নদী সমূহ ব্রহ্মপুত্র নদ, মেঘনা, ধনু, ঘোড়াউত্রা,বাউলাই, নরসুন্দা, মগরা, বারুনী, চিনাই, সিংগুয়া,সূতী, আড়িয়ালখাঁ, ফুলেশ্বরী, সোয়াইজানী, কালী নদী কুলা নদী

ময়মনসিংহের দর্শনীয় স্থান- Mymensingh, Bangladesh Tour

ময়মনসিংহের দর্শনীয় স্থান
কাজী নজরুলের স্মৃতিবিজড়িত ত্রিশাল : নজরুল স্মৃতিবিজড়িত ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলা। ময়মনসিংহ শহর থেকে চল্লিশ মিনিটের পথ। বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন এ অঞ্চলে নজরুল স্মৃতিবিজড়িত স্থানগুলোকে নজরুল পর্যটন নিদর্শন হিসেবে ঘোষণা করেছে।
শিমলা দারোগা বাড়ি : কাজীর শিমলা দারোগা বাড়ি বৃহত্তর ময়মনসিংহের মূল্যবান সম্পদ। এখানে জাতীয় কবি কাজী নজরুলের ইসলাম এদেশে প্রথম পদার্পণ ঘটেছিল।
শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন সংগ্রহশালা : ময়মনসিংহ শহরের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ জয়নুল আবেদিন সংগ্রহশালা। ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে সাহেব কোয়ার্টার নলিনী রঞ্জন সরকারের বাড়িতে এ সংগ্রহশালাটি অবস্থিত।
ময়মনসিংহ বোটানিক্যাল গার্ডেন : বোটানিক্যাল গার্ডেনে প্রবেশ করতে হলে আপনাকে ৩ টাকা মূল্যের টিকিট কিনে প্রবেশ করতে হবে। পার্ক ঘেঁষে ব্রহ্মপুত্র নদ
এ শহরের দর্শনীয় ভবনাদির মধ্যে অন্যতম হাসান মঞ্জিল। শহরে এটি একমাত্র ভবন, যা মুসলিম স্থাপত্যকর্মের অনুপম নিদর্শন। এছাড়া রয়েছে গফরগাঁও উপজেলার ভাষা শহীদ আবদুল জব্বার,ওলি-আল্লাহর মাজার, ধোবাউড়া উপজেলার দর্শা গ্রামে মোগল আমলের পাকা মসজিদ ও মুক্তাগাছার জমিদার বাড়ি।
এছাড়াও ময়মনসিংহ জাদুঘর, সোমেশ্বর বাবুর রাজবাড়ি, কিশোর রায় চৌধুরীর ভবন। বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, বোটানিক্যাল গার্ডেন, আলেক জান্ডার ক্যাসেল,আনন্দ মোহন কলেজ, দুর্গাবাড়ী,কেল্লা তাজপুর ইত্যাদি।
গারোগ্রাম আচ্কীপাড়া হালুয়াঘাট, ময়মনসিংহ ,
হালুয়াঘাট উপজেলা সদর থেকে উত্তর-পশ্চিম দিকে প্রায় ১২ কিলোমিটার দূরে ১ নম্বর ভুবনকুড়া ইউনিয়নের এক সবুজ ছায়াঘেরা গ্রাম আচ্কীপাড়া।
বিখ্যাত খাবারের নাম মুক্তাগাছার মণ্ডা,ময়মনসিংহের আমিরতি,দয়াময়ী মিষ্টান্ন ভাণ্ডারের খেজুর গুরের সন্দেশ ( ময়মনসিংহ ),জয়কালী মিষ্টান্ন ভাণ্ডারের ছানার পোলাও ( ময়মনসিংহ )
নদী সমূহ রহ্মপুত্র, সুতিয়া, ক্ষিরু, সাচালিয়া,পাগারিয়া, নাগেশ্বর, কাচাঁমাটিয়া, আয়মন, বানার,নরসুন্দা, বোরাঘাট, দর্শনা, রামখালী, বৈলারি,নিতাই, কংশ, ঘুঘুটিয়া, সাতারখালী, আকালিয়া,জলবুরুঙ্গা, চৌকা মরানদী, রাংসা নদী
কীভাবে যাবেন : মহাখালী থেকে নিরাপদ কিংবা সৌখিন পরিহনের বাস ২০ মিনিট পরপর ময়মনসিংহের উদ্দেশে ছেড়ে আসে। ঢাকা থেকে প্রায় ১৮০ কিলোমিটার ময়মনসিংহ। ঢাকা থেকে সময় লাগে ঘণ্টা তিনেক। বাসের ভাড়া পড়বে ১২০-১৩০ টাকার মধ্যে। এছাড়া কিশোরগঞ্জ, জামালপুর,নেত্রকোনা, শেরপুর, ময়মনসিংহ হয়ে বাস যাতায়াত করে। ইচ্ছা করলে সেই বাসে চড়ে যাওয়া যায়।
থাকার জন্য আবাসিক-অনাবাসিক হোটেল রয়েছে। ঘুরতে চাইলে জেলা শহর থেকে সিএনজি কিংবা লোকাল বাসে ময়মনসিংহের বিভিন্ন স্থাপনা ঘুরে আসতে পারেন।

টাঙ্গাইলের দর্শনীয় স্থান- Tangail, Bangladesh Tour

টাঙ্গাইলের দর্শনীয় স্থান
রসনা বিলাসীদের জন্য উপভোগ্য সুস্বাদু চমচম,বাঙালী রমণীদের জন্য পরম আকর্ষণীয় তাঁতের শাড়ির জন্য টাঙ্গাইল জেলা দেশে বিদেশে সুপরিচিত। আতিয়া মসজিদ ,শাহ্ আদম কাশ্মিরির মাজার- দেলদুয়ার
পরীর দালান, খামার পাড়া মসজিদ ও মাজার – গোপালপুর
ঝরোকা , সাগরদিঘি ,গুপ্তবৃন্দাবন ,পাকুটিয়া আশ্রম,ধলাপাড়া চৌধুরীবাড়ী ,ধলাপাড়া মসজিদ -ঘাটাইল
ভারতেশ্বরী হোমস্, মহেড়া জমিদার বাড়ী/পুলিশ ট্রেনিং সেন্টার , মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজ,পাকুল্লা মসজিদ:,কুমুদিনী নার্সিং স্কুল/ কলেজ- মির্জাপুর
নাগরপুর জমিদার বাড়ি,পুন্ডরীকাক্ষ হাসপাতাল ,উপেন্দ্র সরোব,গয়হাটার মট,তেবাড়িয়া জামে মসজিদ,,পাকুটিয়া জমিদার বাড়ী ইত্যাদি- নাগরপুর
বঙ্গবন্ধু সেতু ,এলেঙ্গা রিসোর্ট ,যমুনা রিসোর্ট ,কাদিমহামজানি মসজিদ – কালিহাতী
ঐতিহ্যবাহী পোড়াবাড়ি,সন্তোষ,করটিয়া সা’দত কলেজ, কুমুদিনী সরকারী কলেজ,বিন্দুবাসিনীবিদ্যালয় ইত্যাদি – টাঙ্গাইল সদর,মধুপুর জাতীয় উদ্যান ,দোখলা ভিআইপ রেষ্ট হাউজ , পীরগাছা রাবার বাগান ইত্যাদি- মধুপুর
ভূঞাপুরের নীলকুঠি , শিয়ালকোল বন্দর ইত্যাদি – ভূঞাপুর,ধনবাড়ি মসজিদ ও নবাব প্যালেস – ধনবাড়ি
নথখোলা স্মৃতিসৌধ, বাসুলিয়া, রায়বাড়ী ইত্যাদি – বাসাইল,কোকিলা পাবর স্মৃতিসৌধ,মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি স্তম্ভ – সখিপুর
নদী সমূহ যমুনা, ধলেশ্বরী, বংশী, লৌহজং, খিরু,যুগনী,ফটিকজানি,এলংজানি, লাঙ্গুলিয়া, ঝিনাই
বিখ্যাত খাবারের নাম টাঙ্গাইলের চমচম

শেরপুরের দর্শনীয় স্থান- Serpur, Bangladesh Tour

শেরপুরের দর্শনীয় স্থান
মধুটিলা ইকোপার্ক: শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার সীমান্তবর্তী পোড়াগাঁও ইউনিয়নের পাহাড়ঘেরা পরিবেশে স্থাপিত দেশের অন্যতম বিনোদন কেন্দ্র মধুটিলা ইকোপার্ক। এখানে আছে ওয়াচ টাওয়ার , শিশুপার্ক , ক্যান্টিন, তথ্যকেন্দ্র,ডিসপ্লে মডেল, গোলাপ বাগান, মিনি চিড়িয়াখানা ,বিভিন্ন প্রাণীর ভস্কর্য , কৃত্রিম লেক, ষ্টার ব্রীজ , পেডেল বোট , স্টেপিং সিড়ি
শেরপুরের গজনী ইকো পার্ক : ভারতের মেঘালয় রাজ্যের পাদদেশে ঝিনাইগাতীর গারো পাহাড়ের গজনী অবকাশ। লালমাটির উচু-নিচু,পাহাড়,টিলা, পাহাড়ী টিলার মাঝে সমতল ভূমি। দুই পাহাড়ের মাঝে পাহাড়ী ঝর্ণা একে বেঁকে এগিয়ে চলছে। ঝর্ণার পানি এসে ফুলেফেপে উঠছে। সেখানে বাধ দিয়ে তৈরি করা হয়েছে কৃত্রিম লেক। লেকের মাঝে কৃত্রিম পাহাড় এবং পাহাড়ের উপর “লেক ভিউপেন্টাগন”
ঘাগড়া লঙ্কার মসজিদ
সদর থেকে মসজিদটি ১৪ কিলোমিটার দূরে। এক গম্বুজবিশিষ্ট মসজিদটি দৈর্ঘ্য-প্রস্থে ৩০ বাই ৩০ ফুট। গম্বুজের চারপাশ ঘিরে ছোটবড় ১০টি মিনার। মসজিদের পূর্ব দিকে একটি দরজা এবং উত্তর-দক্ষিণে দুটি জানালা। মিহরাব ও দেয়ালে ফুলেল কারুকাজ আছে। এর নির্মাণকাল জানা যায় না, তবে দরজার ওপরের দেয়ালের খোদাই করা ফলক থেকে সংস্কারকাল জানা যায় ১২২৮ হিজরি। প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর মসজিদটির তত্ত্বাবধান করে। সদরের খোয়ারপাড় এলাকা থেকে বাসে চড়ে যেতে হয় ঝিনাইগাতী সড়কের কোয়ারী রোডে। ভাড়া ২৫ টাকা। সেখান থেকে রিকশায় ২০ টাকা ভাড়ায় লস্কর মসজিদ।

রাজার পাহাড়

শ্রীবর্দি উপজেলা সদর থেকে ১৪ কিলোমিটার দূরে কর্ণঝোড়া বাজারের পাশেই রাজার পাহাড়। পাহাড়ি টিলার ওপর ১০০ হেক্টরের বেশি সমতল ভুমি। টিলাজোড়া রাবারের আবাদ। শেরপুরে গারো পাহাড়শ্রেণীর যতগুলো পাহাড় আছে, রাজার পাহাড় তার মধ্যে সবচেয়ে উঁচু। পাহাড় ঘিরে গারো, কোচ,হাজং প্রভৃতি নৃগোষ্ঠীর বসবাস।
সদরের খোয়ারপাড় এলাকা থেকে বাসে ৫০ টাকা ভাড়ায় কর্ণঝোড়া যাওয়া যায়। সেখান থেকে রাজার পাহাড় হাঁটাপথ।
অন্যান্য দর্শনীয় স্থান
নাকুগাঁও স্থলবন্দর, বারোমারী ধর্মপল্লী, নকলার নারায়ণখোলা বেড়শিমুলগাছ, ঝিনাইগাতীর মরিয়মনগর ধর্মপল্লী, আড়াইআনি জমিদারদের শীষমহল
বিখ্যাত খাবারের নাম শেরপুরের (জামালপুর) ছানার পায়েস, ছানার পোলাও
নদী সমূহ ব্রহ্মপুত্র,ভোগাই, নিতাই, কংশ, সোমেশ্বরী,মহারশ্মি ,মালিঝি
কীভাবে যাবেন : ঢাকা থেকে রাজধানী ঢাকা থেকে ময়মনসিংহ হয়ে যাতায়াতই সবচেয়ে উত্তম। উত্তরবঙ্গ থেকে টাঙ্গাইল ুজামালপুর হয়েও আসতে পারেন সড়ক পথে কিংবা রেল পথে জামালপুর পর্যন্ত তার পর জামালপুর থেকে সড়ক পথে আসতে পারেন। শেরপুর শহর থেকে গজনীর দুরত্ব মাত্র ৩০ কিলোমিটার। ঢাকা থেকে সরাসরি মাইক্রো বাস অথবা প্রাইভেটকারে গজনী অবকাশ যেতে পারেন। ঢাকা থেকে নিজস্ব বাহনে মাত্র সাড়েতিন থেকে চার ঘন্টায় ঝিনাইগাতীর গজনী আসা যায়। এ ছাড়া ঢাকার মহাখালি থেকে ড্রিমল্যান্ড বাসে শেরপুর আসা যায়।
কোথায় থাকবেন : শহরে রাতযাপনের জন্য ৫০ থেকে ৫শত টাকায় গেষ্ট হাউজ রোম ভাড়া পাওয়া যায়। শহরের রঘুনাথ বাজারে হোটেল সম্পদ, বুলবুল সড়কে কাকলী ও বর্ণালী গেষ্ট হাউজ, নয়ানী বাজারে ভবানী প্লাজা, বটতলায় আধুনিক মানের থাকার হোটেল রয়েছে।

জামালপুরের দর্শনীয় স্থান- Jamalpur, bangladesh Tour

জামালপুরের দর্শনীয় স্থান
গারো পাহাড়ের পাদদেশে যমুনা-ব্রহ্মপুত্র বিধৌত বাংলাদেশের ২০তম জেলা জামালপুর,দেওয়ানগঞ্জের সুগার মিলস
লাউচাপড়া পিকনিক স্পটঃ জায়গাটি জামালপুর জেলার অধীনে হলেও যাওয়ার সহজপথ হলো শেরপুর হয়ে। ঢাকা থেকে সরাসরি শেরপুরে যায় ড্রীমল্যান্ড পরিবহনের বাস। ভাড়া ১১০ টাকা। ড্রীমল্যান্ড স্পেশালে ভাড়া ১৪০ টাকা। শেরপুর থেকে বাসে বকশীগঞ্জের ভাড়া জনপ্রতি ২০ টাকা
গান্ধি আশ্রমঃ মেলান্দহ উপজেলার ঝাউগড়া ইউনিয়নের কাপাস হাটিয়া গ্রামে গান্ধি আশ্রম কেন্দ্র রয়েছে।
দারকি :
দারকি গ্রাম ইসলামপুর :মাছ ধরার বিশেষ এক ধরনের ফাঁদের নাম “দারকি”। জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার হাতিজা গ্রামের নাম বদলে দিয়েছে এই দারকি।
যমুনা ফার্টিলাইজার ,
বিখ্যাত খাবারের নাম : সরিষাবাড়ীর সন্দেস
নদী সমূহ যমুনা, ব্রহ্মপুত্র ও ঝিনাই

নেত্রকোনার দর্শনীয় স্থান- Netrokona, Bangladesh Tour

নেত্রকোনার দর্শনীয় স্থান
গারো পাহাড়ের পাদদেশ লেহন করে এঁকেবেঁকে কংশ,সোমেশ্বরী নদীসহ অন্যান্য শাখা নদী নিয়ে বর্তমান নেত্রকোণা জেলা , বিজয়পুর পাহাড়ে চিনামাটির নৈসর্গিক দৃশ্য, দূর্গাপুর,রানীখং মিশন, দূর্গাপুর,টংক শহীদ স্মৃতি সৌধ, দূর্গাপুর,কমলা রাণী দিঘীর ইতিহাস, দূর্গাপুর,সাত শহীদের মাজার,কলমাকান্দা,হযরত শাহ সুলতান কমর উদ্দিন রুমী (রাঃ)-এঁর মাজার শরীফ, নেত্রকোণা সদর,রোয়াইল বাড়ি কেন্দুয়া
কলমাকান্দা উপজেলার লেঙ্গুরায় মুক্তিযুদ্ধে সাত শহীদের মাজার, চেংনি ও গোবিন্দপুরে পাহাড়ের নৈসর্গিক প্রকৃতি ও পাগলা কৈলাটির কালা চানশাহের মাজার, দুর্গাপুর বিজয়পুরের চিনামাটির পাহাড়,গারো পাহাড়ের নৈসর্গিক দৃশ্য, টংক আন্দোলনের জন্য খ্যাত হাজংমাতা রাশিমনি স্মৃতিসৌধ, রানীখং মিশন টিলায় ক্যাথলিক গির্জা, বিরিশিরি কালচারাল একাডেমী, কমলা রানীর দীঘি, বাউরতলা গ্রামের কথিত নইদ্যা ঠাকুরের ভিটা
বিজয়পুরে দেশের সর্ববৃহৎ চীনামাটির খনি, বিরিশিরি উপজাতীয় কালচারাল একাডেমী রানীখং পাহাড়ি টিলার ওপর অপরূপ শোভামণ্ডিত বাংলাদেশের সর্বপ্রথম খ্রিস্টান ক্যাথলিক গির্জা, হাজং মাতা রাশিমনি হাজংয়ের স্মৃতিসৌধসহ আদিবাসীদের আতিথেয়তা পর্যটকদের আকর্ষণ করার মতো।
আদিবাসী সাংস্কৃতিক একাডেমি
দুর্গাপুরের বিরিসিরি ইউনিয়নে অবস্থিত আদিবাসী সাংস্কৃতিক একাডেমি। এ অঞ্চলে বসবাসকারী ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর জীবন যাত্রার নানা নিদর্শন সংরক্ষিত আছে এখানে। বিরিশিরিসহ সুসং দুর্গাপুর ও এর আশপাশের উপজেলা কলমাকান্দা, পূর্বধলা, হালুয়াঘাট এবং ধোবাউড়ায় রয়েছে গারো, হাজং, কোচ, ডালু, বানাই প্রভৃতি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর বসবাস। এদের জীবনধারা যেমন বৈচিত্র্যময়, তেমনি বৈচিত্র্যময় এদের সংস্কৃতিও। তাদের এসব ঐতিহ্যকে সংরক্ষণ, উন্নয়ন এবং চর্চার জন্যই ১৯৭৭ সালে বিরিশিরিতে সরকারি উদ্যোগে গড়ে তোলা হয় আদিবাসী সাংস্কৃতিক একাডেমি। এখানে প্রায় সারা বছরই নিয়মিত অনুষ্ঠিত হয় বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
সোমেশ্বরী নদী
দুর্গাপুরের পাশ দিয়েই বয়ে গেছে অসামান্য সুন্দর এ নদী। ভারতের মেঘালয় রাজ্যের গারো পাহাড় থেকে সৃষ্ট এ নদী মেঘালয়ের বাঘমারা বাজার হয়ে রানিখং পাহাড়ের পাশ দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। জনশ্রুতি আছে সোমেশ্বর পাঠক নামে এক সিদ্ধপুরুষ এ অঞ্চলের দখল নেওয়ার পর থেকে নদীটি সোমেশ্বরী নাম লাভ করে। একেক ঋতুতে এ নদীর সৌন্দর্য একেক রকম। তবে সারা বছরই এর জল টলটলে স্বচ্ছ। বর্ষা মৌসুমে বেড়ে গেলেও শীতে সোমেশ্বরীর জল অনেকাংশেই কমে যায়।
সুসং দুর্গাপুরের জমিদার বাড়ি
জেলার দুর্গাপুর উপজেলায় অবস্থিত সুসং দুর্গাপুরের জমিদার বাড়ি। সুসং দুর্গাপুরের সোমেশ্বর পাঠকের বংশধররা এ বাড়িটি তৈরি করেছিলেন। বাংলা ১৩০৪ সালের ভয়াবহ ভূমিকম্পে জমিদার বাড়িটি একেবারে ধ্বংস হয়ে গেলে তাদের বংশধররা এটি পুনঃনির্মাণ করেন। এ জমিদার বাড়িটি চারটি অংশে বিভক্ত। বড় বাড়ি, মেজো বাড়ি, আবু বাড়ি ও দুই আনি বাড়ি। জানা যায়, ১২৮০ মতান্তরে ১৫৯৪ খ্রিস্টাব্দের কোনো এক সময়ে কামরূপ কামাখ্যা থেকে সোমেশ্বর পাঠক নামে এক ব্রাহ্মণ এ অঞ্চলে ভ্রমণে আসেন। এখানকার সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে এখানে থেকে যাওয়ার পরিকল্পনা করেন। সোমেশ্বর পাঠক গারো রাজা বৈশ্যকে পরাজিত ও নিহত করে রাজ্য দখল করে নেন। সে সময়ে সুসং রাজ্যের অধিকাংশ জনগোষ্ঠী ছিল আদিবাসী, যাদের অধিকাংশই আবার গারো। জমিদারী প্রথা উচ্ছেদের পূর্ব পর্যন্ত প্রায় তিনশ বছর তার বংশধররা এ অঞ্চলে জমিদারী করে।
টংক আন্দোলনের স্মৃতিসৌধ
১৯৪৬-৫০ সালে কমরেড মণিসিংহের নেতৃত্বে পরিচালিত টংক আন্দোলনে শহীদদের স্মরণে নির্মিত স্মৃতিসৌধ। সোমেশ্বরী নদী পার হয়ে কিছ দূর এগোলেই চোখে পড়বে এ স্মৃতিসৌধটি। প্রতিবছর ৩১ ডিসেম্বর কমরেড মণিসিংহের মৃত্যু দিবসে এখানে তিন দিনব্যাপী মণি মেলা নামে লোকজ মেলা বসে।
সাধু যোসেফের ধর্মপল্লী
বিরিসিরি থেকে সোমেশ্বরী নদী পার হয়ে রিকশায় যেতে হয় রানিখং গ্রামে। এখানে আছে সাধু যোসেফের ধর্মপল্লী। রানিখং গ্রামের এ ক্যাথলিক গির্জাটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ১৯১২ সালে।
রাশমণি স্মৃতিসৌধ
রানিখং থেকে বিজয়পুর পাহাড়ে যাওয়ার পথে বহেরাতলীতে অবস্থিত রাশমণি স্মৃতিসৌধ। ১৯৪৬ সালের ৩১ জানুয়ারি সংঘটিত কৃষক ও টংক আন্দোলনের প্রথম শহীদ ব্রিটিশবিরোধী সংগ্রামের নেত্রী হাজং মাতা রাশমণির স্মৃতিকে স্মরণীয় করে রাখতে রাশমণি মেমোরিয়াল ট্রাস্ট এখানে নির্মাণ করেছে এ স্মৃতিসৌধটি।
বিজয়পুর পাহাড়
রাশমণি স্মৃতিসৌধ থেকে প্রায় দেড় কিলোমিটার দূরে বিজয়পুরে আছে চীনা মাটির পাহাড়। এখান থেকে চীনা মাটি সংগ্রহের ফলে পাহাড়ের গায়ে সৃষ্টি হয়েছে ছোট ছোট পুকুরের মতো গভীর জলাধার। পাহাড়ের গায়ে স্বচ্ছ জলাধারগুলো দেখতে চমত্কার।
ঢাকার কমলাপুর থেকে ট্রেনে আড়িখোলা রেলস্টেশেনে নেমে রিকশায় গির্জায় যাওয়া যায়। ট্রেনে ঢাকা থেকে আড়িখোলার ভাড়া ১৫ টাকা
বিখ্যাত খাবারের নাম নেত্রকোনার বালিশ মিষ্টি
নদী সমূহ মগড়া, কংশ,সোমেশ্বরী, ধনু নদী
ঢাকার মহাখালী বাস টার্মিনাল থেকে সকাল ৭টা সাড়ে ৭টার মধ্যে কিছুক্ষণ পরপর বাস ছেড়ে যায়। ভাড়া গেটলক ২০০ টাকা।
শহরের বেশ কয়েকটি আবাসিক হোটেলের মধ্যে আল নূর রাতযাপনের জন্য যথেষ্ট ভালো। ভাড়া ডাবল বেড ৩৫০ টাকা। খাওয়ার জন্য স্টেশন রোডের আলেফ খাঁর হোটেল ও বিকালের নাস্তার জন্য বড় বাজারের ইসমাইলের হোটেল।

রাজবাড়ীর দর্শনীয় স্থান- Rajbari, Bangladesh TOUR

রাজবাড়ীর দর্শনীয় স্থান
১। কথা সাহিত্যিক মীর মশাররফ হোসেন স্মৃতি কমপ্লেক্স
২। এ্যাক্রোবেটিক সেন্টার
৩। রাজবাড়ী সুইমিং পুল
৪। কুটি পাঁচুরিয়া জমিদার বাড়ী
৫। গোদার বাজার পদ্মা নদীর তীর
৬। রাজবাড়ী উদ্যান বেস
গোয়ালন্দের দৌলতদিয়া ঘাট
নলিয়া জোড়বাংলা মন্দির
কল্যাণ দিঘি  অন্যান্য দর্শনীয় স্থান বেলগাছির দোলমঞ্চ, চাঁদ সওদাগরের ঢিবি, শিঙ্গা গায়েবি মসজিদ, গোয়ালন্দ বিজয় বাবুর মন্দির, পাংশার বৌদ্ধ সংঘারাম, রাজা সীতারামের পুষ্করিণী,মদাপুরের রাজরাজেশ্বর মন্দির ইত্যাদি
নদী সমূহ পদ্মা, গড়াই, চন্দনা, চত্রা, হড়াই ও কুমার

ফরিদপুরের দর্শনীয় স্থান- Faridpur, Bangladesh Tour

ফরিদপুরের দর্শনীয় স্থান :
মথুরাপুরের দেউল
………………………
ফরিদপুর শহর থেকে প্রায় ২২ মাইল পশ্চিমে এবং মধুখালী বাজার থেকে মাইল দেড়েক উত্তরে অবস্থিত অপরূপ এ দেউলটি চারদিকে দেয়াল দিয়ে ঘেরা একটি বর্গাকার ভূমির কেন্দ্রস্থলে নির্মিত। দেউলের অভ্যন্তরে ছোট্ট প্রকোষ্ঠ রয়েছে। দেউলের নির্মাতা কে?—স্বাভাবিকভাবে এমন প্রশ্ন উঁকি দেবে মনে। তবে এর উত্তর পাওয়া মুশকিল। কারণ এ প্রসঙ্গে নানা লোকভাষ্য প্রচলিত এলাকায়। কেউ বলেন, রাজা প্রতাপাদিত্যকে যুদ্ধে পরাজিত করে মোগল সম্রাট আকবরের সেনাপতি রাজা মানসিংহ নির্মাণ করেছিলেন স্থাপনাটি। নান্দনিক এ স্থাপনাটি আসলে একটি বিজয়স্তম্ভ। এ বক্তব্য ইতিহাস-সমর্থিত কিনা,তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। তবে এর বিপরীতে আরেকটি ইতিহাস এলাকায় চালু রয়েছে; সেটি তুলনামূলক অধিক গ্রহণযোগ্য। সপ্তদশ শতাব্দীতে সংগ্রাম সিংহ নামের একজন ফৌজদার ছিলেন ভূষণায়। কোনো এক বিশেষ কার্যসিদ্ধি উপলক্ষে সংগ্রাম সিংহই এ দেউল নির্মাণ করেন মথুরাপুরে। দেশভাগের কয়েক বছর আগে মথুরাপুর দেউলকে সংরক্ষিত পুরাকীর্তি হিসেবে ঘোষণা করে প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ। তখন কিছু সংস্কার সাধিত হয় স্থাপনাটির।
দেউল দেখে শেষে রওনা হতে পারেন বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ল্যান্স নায়েক মুন্সী আবদুর রউফ গ্রন্থাগার ও স্মৃতি জাদুঘরে। জাদুঘর দর্শনের পর চাইলে ঢুঁ মেরে আসতে পারেন মধুখালী উপজেলা থেকে ১০ কিলোমিটার পশ্চিমে কামারখালী সেতুতে। গড়াই নদীর ওপর নির্মিত দৃষ্টিনন্দন এ সেতু আপনাকে মুগ্ধ করবে।
ঘোরাঘুরির পর স্বাভাবিকভাবেই পেটপূজার প্রসঙ্গ এসে যাবে। আর তখনই আসবে বাগাটের দইয়ের কথা। এরও রয়েছে ইতিহাস। বাগাট এলাকার ঘোষরা (দই প্রস্তুতকারী সম্প্রদায়) কবে থেকে দই প্রস্তুত শুরু করেন, তার সময়কাল নিশ্চিত করে বলা যায় না। তবে ইতিহাস ঘেঁটে জানা যায়, এ অঞ্চলে দই প্রস্তুত শুরু হয় প্রায় ২০০ বছর আগে। মূলত পাকিস্তান আমলে খ্যাতিমান দই বিক্রেতা নিরাপদ ঘোষের আমলে বাগাটের দই দেশজুড়ে সমাদৃত হয়। এ দই তখন পূর্ব পাকিস্তানের বিভিন্ন শহর থেকে শুরু করে পশ্চিম পাকিস্তানের করাচি, রাওয়ালপিন্ডিসহ বিভিন্ন শহরে যেত। নিরাপদ ঘোষের পরিবারের কেউ এখন এ ব্যবসায় নেই। তবে গ্রামের প্রায় ২০টি পরিবার দই তৈরির কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। নানা রকম দই প্রস্তুত করা হয় বাগাটে। এর মধ্যে মিষ্টি দই, টক দই, হালকা মিষ্টি দই ও ক্ষীরসা দই অন্যতম। বাগাটে দুই শতাধিক পরিবারের প্রায় এক হাজার লোক এ দই বানানোর সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জড়িত।
জীবনের ব্যস্ততার মধ্যে একটু ফুরসত মিললে দেখে আসতে পারেন রূপ ও প্রাণপ্রাচুর্যে পূর্ণ  শান্ত জনপদ মধুখালী।

গোপালগঞ্জ দর্শনীয় স্থান- Gopalgong, bangladesh Tour

গোপালগঞ্জ দর্শনীয় স্থান
বঙ্গবন্ধুর সমাধিসৌধ
শহর থেকে ১৯ কিলোমিটার দূরে টুঙ্গিপাড়া উপজেলা সদর। ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এখানে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁকে সমাহিতও করা হয় এখানেই। আধুনিক স্থাপত্যরীতির বর্গাকার
একটি সৌধ গড়ে তোলা হয়েছে তাঁর সমাধির ওপর।
শহরের বঙ্গবন্ধু কলেজ স্ট্যান্ড থেকে বাসে টুঙ্গিপাড়া যেতে ভাড়া লাগে ২৫ টাকা।
উলপুরের রায়চৌধুরীবাড়ি
শহর থেকে ১০ কিলোমিটার উত্তরে উলপুর গ্রাম। সে গ্রামের প্রীতীশচন্দ্র বসু রায়চৌধুরী ছিলেন রাজ কর্মচারী। চৌধুরীরা গ্রামটি রাজার কাছ থেকে তালুক পান। তাঁদের জমিদারি স্থায়ী ছিল ১৫৮ বছর। এ গাঁয়ে তাঁরা প্রায় ২০০ একর জমির ওপর বাগানবাড়ি,কৈলাশধাম, নাটমহল, আনন্দধাম, মেজবাবুর বাড়ি,জলবাড়ি, শ্মশানবাড়ি, ছোট বাবুর বাড়িসহ ৪৭টি স্থাপনা গড়ে তোলেন। শহর থেকে চৌধুরীবাড়ি যেতে অটোরিকশায় ভাড়া লাগে ২০ টাকা।
কোর্ট মসজিদ
শহরের প্রধান মসজিদ।
১৯৪৯ সালে নির্মিত হয়। সদর দরজাটি বেশ বড়। চারদিকে ছোট চারটি আর মাঝখানে একটি বড় গম্বুজ। পাশেই সুউচ্চ একটি মিনার। মসজিদের পূর্ব ও উত্তর পাশে দুটি বহুতল ছাত্রাবাস। শহরের বাসস্ট্যান্ড থেকে রিকশায় মসজিদে যেতে ভাড়া লাগে ১০ টাকা।
বিলরুট ক্যানেল: মধুমতির মানিকদাহ বন্দরের নিকট থেকে উত্তর এবং উত্তর পূর্ব দিকে উরফি,ভেড়ারহাট, উলপুর, বৌলতলী, সাতপাড়, টেকেরহাট হয়ে আড়িয়াল খাঁর শাখা নদী উতরাইল বন্দরের কাছাকাছি পর্যন্ত ৬০/৬৫ কিলোমিটার র্দীঘ ক্যানেল খনন করা হয়
৭১ এর বধ্যভূমি স্মৃতিসৌধ (স্মৃতিস্তম্ভ) :মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলা সংলগ্ন ৭১ এর বধ্যভূমি (জয়বাংলা পুকর)
অন্যান্য দর্শনীয় স্থান
কোটাল দুর্গ, বহলতলী মসজিদ, ধর্মরায়ের বাড়ি,
শ্রীহরি মন্দির ইত্যাদি
নদী সমূহ গড়াই, মধুমতী, কালীগঙ্গা, হুন্দা, ঘাঘর,পুরাতন কুমার ইত্যাদি
কিভাবে যাবেন :ঢাকার গুলিস্তান, যাত্রাবাড়ী ও গাবতলী থেকে গোপালগঞ্জ যাওয়ার বাস আছে

মাদারীপুর, শরিয়তপুরের দর্শনীয় স্থান- sariyotpur, madaripur, bangladesh tour

মাদারীপুরের দর্শনীয় স্থান
পর্বতের বাগান(মস্তফাপুর), প্রণবানন্দের মন্দির(বাজিতপুর), গণেশ পাগলের মন্দির(কদমবাড়ী), রাজারাম রায়ের বাড়ি(খালিয়া),সেনাপতির দিঘি, সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের বাড়ি(মাইজপাড়া) ,আলগী কাজি বাড়ি মসজিদ, রাজা রাম মন্দির, ঝাউদি গিরি, আউলিয়াপুর নীলকুঠি ,মিঠাপুর জমিদার বাড়ি, প্রণব মঠ, বাজিতপুর, মঠের বাজার মঠ, খোয়াজপুর, খালিয়া শান্তিকেন্দ্র, পর্বতের বাগান, শকুনী লেক, সেনাপতির দিঘি
বিখ্যাত খাবারের নাম খেজুরের গুড়ের(পাতিগুড়) জন্য বিখ্যাত
নদী : পদ্মা, আড়িয়াল খাঁ, কুমার, পালরদী
শরিয়তপুরের দর্শনীয় স্থান
ফতেহজংপুর দুর্গ, মুঘল আমলের বিলাসখান মসজিদ,মহিষের দিঘী, দক্ষিণ বালুচর মসজিদ,হাটুরিয়া জমিদার বাড়ি,মানসিংহের বাড়ী।

রংপুরের দর্শনীয় স্থান- Rangpur, Bangladesh Tour

রংপুরের দর্শনীয় স্থান
রংপুরে রয়েছে শতাব্দী প্রাচীন নামকরা শিা প্রতিষ্ঠান কারমাইকেল বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ। অপরূপ কারুকার্যখচিত এ কলেজে একটি গম্বুজও রয়েছে। আছে রাজপ্রাসাদতুল্য তাজহাট জমিদারবাড়ি। মীরগঞ্জে রয়েছে বিশাল একটি দীঘি। এখানে আরও রয়েছে লালবিবির সমাধিসৌধ, ফকিরনেতা মদিনীর কবর ও মোগল আমলের মসজিদ। পায়রাবন্দে আছে মহীয়সী বেগম রোকেয়ার বাড়ির ধ্বংসাবশেষ, বেগম রোকেয়া মেমোরিয়াল উচ্চবিদ্যালয়, বেগম রোকেয়ার স্মৃতিফলক এবং রোকেয়া পরিবারের সদস্যদের ব্যবহƒত একটি শানবাঁধানো দীঘিও রয়েছে।
পীরগঞ্জের চুতরাহাটের পশ্চিমে রয়েছে নীল দরিয়ার বিল। তারাগঞ্জে গেলে দেখা মিলবে তারাবিবির মসজিদের। গঙ্গাচরার কুঠিপাড়ায় নীলকুঠি। পীরগাছায় দেবী চৌধুরানীর রাজবাড়ি, ইটাকুমরার শিবেন্দ্র রায়ের রাজবাড়িটিও দেখার মতো। এছাড়াও আছে, চিড়িয়াখানা, জাদুঘর, শিরিন পার্ক, টিকলির বিল, খাতুনিয়া লাইব্রেরি, দমদমা ব্রিজ, পরেশনাথ মন্দির, কেরামতিয়া মসজিদ, ভিন্ন জগৎ।
তাজহাট জমিদার বাড়ি
রংপুর শহর থেকে প্রায় ছয় কিলোমিটার দূরে তাজহাট গ্রামে অবস্থিত এ জমিদার বাড়িটি। রত্ন ব্যবসায়ী মান্নালাল ছিলেন তাজহাট জমিদারির প্রতিষ্ঠাতা। ব্যবসায়িক কারণে অষ্টাদশ শতাব্দীর শেষ দিকে তিনি রংপুরের মাহিগঞ্জে এসে বসবাস শুরু করেন এবং একটি ভবন নির্মাণ করেন। ১৮৯৭ সালের ভূমিকম্পে তার এ ভবনটি ধ্বংস হয়ে যায় এবং তিনি আহত হয়ে পরবর্তীতে মারা যান। তার দত্তক পুত্র গোপাল লাল রায় বাহাদুর জমিদারি দায়িত্ব গ্রহণের পর বর্তমান ভবনটির নির্মাণ শুরু করেন। ১৯১৭ সালে ভবনটি সম্পূর্ণ হয়। ইটালী থেকে আমদানিকৃত শ্বেত পাথর দিয়ে তৈরি করা হয়েছিল এ বাড়ির সম্মুখের সিঁড়িটি। পুরো ভবনটিতে রয়েছে ২৮টি কক্ষ। ভবনের সামনে মার্বেল পাথরের সুদৃশ্য একটি ফোয়ারা আজও বিদ্যমান। ১৯৫২ সালে জমিদারি প্রথা বিলুপ্ত হওয়ার পরে এ বাড়ি চলে যায় কৃষি বিভাগের অধীনে এবং এখানে গড়ে ওঠে কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট। মুক্তিযুদ্ধের সময় এ বাড়ির প্রচুর মূল্যবান সম্পদ খোয়া যায়। ১৯৮৫ সালে এখানে হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ চালু হয়। পরবর্তীতে ১৯৮৭ সালে তাজহাট জমিদার বাড়ি রূপান্তর করা হয় জাদুঘরে। আর এর নাম রংপুর জাদুঘর। এ জাদুঘরের তিনশটি মূল্যবান নিদর্শন রয়েছে। রংপুর জাদুঘরের গ্রীষ্মকালীন সময়সূচি (এপ্রিল-সেপ্টেম্বর) হলো বেলা ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা। মাঝে দুপুর একটা থেকে ত্রিশ মিনিট মধ্যাহ্ন বিরতি আছে। আর শীতকালীন (অক্টোবর-মার্চ) সময়সূচি সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা। ১টা থেকে ১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত বিরতি। রবিবার পূর্ণ দিবস, সোমবার অর্ধ দিবসসহ সরকারি সব ছুটির দিনে জাদুঘরটি বন্ধ থাকে। এ জাদুঘরে বাংলাদেশি ও বিদেশি পর্যটকদের জন্য প্রবেশ মূল্য যথাক্রমে ১০ ও ২০ টাকা।
পায়রাবন্দ
জেলার মিঠাপুকুর থানার পায়রাবন্দে রয়েছে নারী জগরণের অগ্রদূত বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের বসতভিটা। ২০০১ সালে এখানে সরকার প্রতিষ্ঠা করেছে বেগম রোকেয়া স্মৃতি কেন্দ্র। একটি বেদির ওপরে এখানে স্থান পেয়েছে বেগম রোকেয়ার পূর্ণাবয়ব ব্রোঞ্জ নির্মিত প্রতিকৃতি।
ভিন্নজগত
রংপুর শহর থেকে প্রায় চৌদ্দ কিলোমিটার দূরে রংপুর-দিনাজপুর মহাসড়ক থেকে সামান্য ভেতরে গঞ্জীপুর গ্রামে অবস্থিত একটি পর্যটন কেন্দ্র। দেশের প্রথম প্লানেটোরিয়ামটি এখানেই। এখানকার বিশাল প্রান্তরজুড়ে রয়েছে লেক, বাগান, শিশু পার্ক রিজর্টসহ আরও অনেক কিছু।
বিখ্যাত খাবারের নাম রংপুরের সিঙ্গারা হাউজের সিঙ্গারা with সস্
নদী সমূহ তিস্তা, যমুনেশ্বরী, ঘাঘট ও করতোয়া
কীভাবে যাবেন
ঢাকা থেকে রংপুর যাওয়ার জন্য সবচেয়ে ভালো পরিবহন হলো গ্রীন লাইন এবং টিআর ট্রাভেলস। এ দুই পরিবহনের এসি বাসের ভাড়া ৮০০-১০০০ টাকা। এ ছাড়া এ রুটে আগমনী পরিবহন, এস আর, শ্যামলী,হানিফ, কেয়া ইত্যাদি পরিবহনের সাধারণ বাস চলাচল করে। ভাড়া ৩৫০ থেকে ৫০০ টাকা।
কোথায় থাকবেন
রংপুর শহরে থাকার জন্য বিভিন্ন মানের হোটেল আছে। এ শহরে বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশনের একটি বড় ধরনের মোটেল রয়েছে। এখানে কক্ষভাড়া ১২০০-৩৫০০ টাকা। ফোন :০৫২১-৬৩৬৮১,৬২৮৯৪। শহরের জেল রোডে বেসরকারি সংস্থা আরডিআরএস’র আবাসন ব্যবস্থা ভালো। ফোন ০৫২১-৬২৫৯৮, ৬২৮৬৩। এ ছাড়া জাহাজ কোম্পানির মোড়ে হোটেল শাহ আমানত, ফোন :০৫২১-৬৫৬৭৩।

দিনাজপুরের দর্শনীয় স্থান- Dinajpur, bangladesh Tour

দিনাজপুরের দর্শনীয় স্থান
দিনাজপুরে রয়েছে রাজা রামনাথের অবিস্মরণীয় কীর্তি রামসাগর দীঘি। রয়েছে কান্তজীর মন্দির যা বাংলাদেশের সবচেয়ে সুন্দর মন্দির। রয়েছে প্রাচীনতম বিহার সীতাকোট, দীর্ঘ ১ মাইল লম্বা দুর্গ ঘোড়াঘাট,গোরা শহীদের মাজার, সীতার কুঠরি, সিংহদুয়ার প্রাসাদ, বারদুয়ারি, শিশুপার্ক।
বিখ্যাত খাবারের নামলিচু, কাটারিভোগ চাল,চিড়া, পাপড়
নদী সমূহ ঢেপা নদী,করতোয়া নদী,নাগর, মহানন্দা,ঘোড়ামারা, টাংগন, তালমা, ডাহুক, কুলিক ও পুনর্ভবা
কীভাবে যাবেন : এসআর, হানিফ, শ্যামলী, কেয়ায় চড়ে দিনাজপুর যাওয়া যায়।
কোথায় থাকবেন : পর্যটন মোটেল রয়েছে দিনাজপুরে। হোটেলের মধ্যে রয়েছে, আল রশীদ, নবীন, কণিকা,ডায়মন্ড, বিহানা, নিউ হোটেল ইত্যাদি।
লালমনির হাটের দর্শনীয় স্থান  তিস্তার পাড় তিস্তা ব্যারাজ: লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার দোয়ানীতে তিস্তা নদীর ওপর গড়ে তোলা হয় বাঁধ। যাকে বলা হয় তিস্তা ব্যারাজ প্রকল্প। দেশের বৃহত্তম ৬১৫ মিটার দীর্ঘ এ ব্যারাজে ৪৫টি গেট রয়েছে।
তিন বিঘা করিডোর ও দহগ্রাম-আংগরপোতা ছিটমহল
বুড়িমারী স্থল বন্দর
তিস্তা রেল সেতু
বিখ্যাত খাবারের নাম
নদী সমূহ ধরলা নদী ও দক্ষিনে তিস্তা নদী
কীভাবে যাবেন : এসআর, হানিফ, শ্যামলী, কেয়া এবং রেলে চড়ে লালমনিরহাট যাওয়া যায়।

ঠাকুরগাওএর দর্শনীয় স্থান- Thakurgaon, BANGLADESH TOUR

ঠাকুরগাওএর দর্শনীয় স্থান
জামালপুর জমিদারবাড়ি জামে মসজিদ : ঠাকুরগাঁও শহর থেকে পীরগঞ্জ যাওয়ার পথে বিমান বন্দর পেরিয়ে শিবগঞ্জহাট। হাটের তিন কিলোমিটার পশ্চিমে জামালপুর জমিদারবাড়ি জামে মসজিদ।
রাজা টংকনাথের রাজবাড়ি : রানীশংকৈল উপজেলার পূর্বপ্রান্তে কুলিক নদীর তীরে মালদুয়ার জমিদার রাজা টংকনাথের রাজবাড়ি।
দিঘি : ঠাকুরগাঁও অঞ্চলে প্রাচীনকালে বেশ কিছু নদী ও নিচু জলাভূমি ছিল।
হরিণমারীর আমগাছ :প্রায় দুই বিঘা জায়গাজুড়ে শুয়ে-বসে-দাঁড়িয়ে আছে ২০০ বছরের বেশি বয়সী এক আমগাছ। মাটিতে নেমে এসেছে ১৯টি মোটা মোটা ডাল। গাছটির উচ্চতা আনুমানিক ৮০ ফুট আর ঘের ৩০ ফুট।ঠাকুরগাঁও থেকে বালিয়াডাঙ্গি উপজেলার দূরত্ব ২৫ কিলোমিটার। উপজেলা সদর থেকে ১০ কিলোমিটার ভেতরে হরিণমারী।
রাউতনগর সাঁওতালপল্লী রানীশংকৈল: ঠাকুরগাঁও সদর থেকে ৪৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে রাউতনগর গ্রাম।
নেকমরদের মাজার দেখতে গিয়েছিলাম রানীশংকৈল। ঠাকুরগাঁও সদর থেকে দক্ষিণ-পশ্চিমে ২০ কিলোমিটারের বেশি হবে। সেখানেই জানলাম গোরকুই কূপের কথা। লোকজন বলছিল, ‘তাজ্জব হয়া যাবেন, ভাই। আজব কুয়া। এর জল সারা বছর এক মাপে থাকে। শীতে কমে না, বর্ষায় বাড়ে না। তার ওপর আবার পাথরে তৈরি।’ কথার জালে মন আটকে গেল। দেখার লোভ সামলাতে পারলাম না। নেকমরদ থেকে আরো আট কিলোমিটার পশ্চিমে গোরকুই। সহজে যাওয়ার জো নেই। প্রথমে নছিমনে চড়ে গেলাম পারকুণ্ডা। এরপর শুরু হলো মেঠো পথ। একটা ভ্যানে চড়ে বসলাম। চালকের নাম মজনু। নাকের নিচে তাঁর কালো রেখা উঁকি দিতে শুরু করেছে সবে। সে গোরকুইয়ের গল্পগাথার ভাঁড়ার খুলে দিল। শ্রোতা বলতে আমি আর দিগন্তবিস্তৃত সবুজ ধানক্ষেত। দিনাজপুরকে শস্যভাণ্ডার বলার কারণ খুঁজে পেলাম এখানে এসে। চোখ যেদিকে যায় সবুজের অবারিত বিপুল বিস্তৃতি। বসতি খুবই কম। অনেক দূরে দূরে দু-তিনটি ঘর। মজনু কিছুক্ষণ পর গাড়ি থামাল একটা টং দোকানের সামনে। তেঁতুলগাছ ছায়া বিছিয়ে রেখেছে চারধারে। চা-বিস্কুট পাওয়া যাবে শুনে খানিক জিরানোর কথা ভাবলাম। চা খেতে খেতে দেখলাম সাঁওতাল শিশু-কিশোরদের উচ্ছল শৈশব। এখানে বেশ কয়েক ঘর সাঁওতাল আাছে। দোকান থেকেই একটা দেয়ালঘেরা স্থাপনার চূড়া দেখতে পেলাম। দোকানদার বলল, এটিই গোরক্ষনাথের মন্দির। এরপর আর তর সইল না, দামটাম মিটিয়ে মন্দিরে রওনা দিলাম।
ঢোকার মুখে একটি ছোট দরজা। এটি পেরোনোর পরই পেলাম সাদা চুনকাম করা ছোট একটি মন্দির। সিমেন্টের একটি শিবলিঙ্গ আছে মন্দিরগৃহের মধ্যখানে। বোঝা গেল, মহাদেবের মন্দির। পূর্ব দিকের দেয়াল ঘেঁষে একই সারিতে আছে আরো তিনটি মন্দির। শিবমন্দিরের পাশেরটি কালীমন্দির। শিবমন্দির থেকে এটি একটু বড়। দক্ষিণেরটি মৎস্যেন্দ্রনাথের সমাধিমন্দির। তিনটি মন্দিরেরই চূড়া গম্বুজ আকৃতির। সাধারণত মন্দিরে গম্বুজ দেখা যায় না, সেদিক থেকে এগুলো ব্যতিক্রম
বিখ্যাত খাবারের নাম
নদী সমূহ টাঙ্গন নদী,ভুল্লী নদী,নাগর নদী

পঞ্চগড়ের দর্শনীয় স্থান- Poncogor, Bangladesh Tour

পঞ্চগড়ের দর্শনীয় স্থান
বাংলাবান্ধা জিরো পয়েন্ট তেঁতুলিয়া
দেশের সর্ব উত্তরের সীমানা তেঁতুলিয়া উপজেলার বাংলাবান্ধা জিরো পয়েন্ট। ওপারে ভারতের ফুলবাড়ী। এটি একটি স্থলবন্দর। বাংলাদেশ, নেপাল ও ভারত_ত্রিদেশীয় বাণিজ্য কার্যক্রম দেখা যায় এখান থেকে। শহর থেকে লোকাল বাসে জিরো পয়েন্ট পর্যন্ত ভাড়া ৮০ টাকা।
রকস মিউজিয়াম, পঞ্চগড় সদর
পঞ্চগড় সরকারি মহিলা কলেজে আছে দেশের একমাত্র পাথরের জাদুঘর বা রকস মিউজিয়াম। কোনো কোনো পাথরের বয়স হাজার বছরেরও বেশি। ভেতরের গ্যালারিতে বিভিন্ন আকৃতি, রং ও বৈশিষ্ট্যের পাথর আছে। আরো আছে পুরনো ইমারতের ইট,পাথর ও পোড়ামাটির মূর্তি। আদিবাসীদের ব্যবহৃত জিনিসপত্রের সম্ভার আছে জাতিতাত্তি্বক সংগ্রহশালায়। উন্মুক্ত গ্যালারিও আছে। এখানে আছে বড় বড় সব পাথর এবং দুটি নৌকা। একটিমাত্র শালগাছ থেকে তৈরি প্রতিটি নৌকার দৈর্ঘ্য সাড়ে ২২ ফুট। শহরের কোচস্ট্যান্ড থেকে মহিলা কলেজ পর্যন্ত রিকশায় ভাড়া ১০ টাকা।
মির্জাপুর শাহি মসজিদ আটোয়ারী
মুঘল আমলে নির্মিত আয়তাকার মসজিদটি দৈর্ঘ্যে ৪০ ফুট, প্রস্থে ২৪ ফুট। এক সারিতে গম্বুজ আছে তিনটি,প্রবেশপথও তিনটি। মাঝখানের প্রবেশপথের উপরিভাগে একটি কালো ফলকে ফারসি লিপিতে সন-তারিখ লেখা আছে। সামনের পুরোটাই টেরাকোটা প্লাক দিয়ে সুসজ্জিত। প্লাকের ওপর ফুল ও লতাপাতা আঁকা। প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ মসজিদটির দেখভাল করে। সদর থেকে লোকাল বাসে চড়ে মির্জাপুর বাজারে নামতে হবে। ভাড়া ২৫ টাকা। এরপর রিকশায় মসজিদ পর্যন্ত ভাড়া ১৫-২০ টাকা।
ভিতরগড়ঃ
পঞ্চগড় শহর থেকে ১০ মাইল উত্তরে বাংলাদেশ- ভারত সীমান্ত বরাবর পঞ্চগড় সদর উপজেলাধীন অমরখানা ইউনিয়নে অবস্থিত এই গড়।
মহারাজার দিঘীঃ পঞ্চগড় শহর থেকে প্রায় ১৫ কিলোমিটার উত্তরে পঞ্চগড় সদর উপজেলাধীন অমরখানা ইউনিয়নে অবস্থিত একটি বড় পুকুর বর্তমানে যা মহারাজার দিঘী নামে পরিচিতি
সমতল ভূমিতে সম্প্রতি প্রতিষ্ঠিত চা বাগান : পঞ্চগড় জেলার সদর ও তেঁতুলিয়া উপজেলায় সাম্প্রতিকালে সমতল ভূমিতে চা গাছের চাষাবাদ শুরু করা হয়েছে।
বাংলাবান্ধা জিরো (০) পয়েন্ট ও বাংলাবান্ধা স্থল বন্দর ঃহিমালয়ের কোল ঘেঁষে বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের উপজেলা তেঁতুলিয়া। এই উপজেলার ১নং বাংলাবান্ধা ইউনিয়নে অবস্থিত বাংলাদেশ মানচিত্রের সর্বউত্তরের স্থান বাংলাবান্ধা জিরো (০) পয়েন্ট ও বাংলাবান্ধা স্থল বন্দর।
অন্যান্য দর্শনীয় স্থান
দেবীগঞ্জের গোলকধাম মন্দির, সদরের মহারাজার দীঘি ও ভিতরগড় দুর্গনগরী, আটোয়ারীর মির্জাপুরের ইমামবাড়া এবং তেঁতুলিয়ার জেলা পরিষদ ডাকবাংলো
নদী সমূহ করতোয়া, আত্রাই, তিস্তা, মহানন্দা,টাংগন, ডাহুক, পাথরাজ, ভুল্লী, তালমা, নাগর,চাওয়াই, কুরুম, ভেরসা, তিরনই ও চিলকা।
কীভাবে যাবেন : সড়কপথ। তেঁতুলিয়া থেকে ঢাকা পর্যন্ত হানিফ এন্টারপ্রাইজ, কেয়া পরিবহন, কান্তি পরিবহন ও শ্যামলী এন্টারপ্রাইজের বাস নিয়মিত যাতায়াত করে।। সেখান থেকে বিডিআরের অনুমতি সাপেক্ষে ভ্যানযোগে জিরো পয়েন্ট দর্শন করা যায়। যাতায়াতে ৩০ থেকে ৫০ টাকা খরচ হবে।
কোথায় থাকবেন : তেঁতুলিয়ায় আবাসিক কোনো হোটেল না থাকায় জেলা পরিষদের প্রাচীন ডাকবাংলো ও পিকনিক কর্নার রাতযাপনের একমাত্র ভরসা।

নীলফামারীর দর্শনীয় স্থান- NILFAMARI, BANGLADESH TOUR

নীলফামারীর দর্শনীয় স্থান
সৈয়দপুরের চিনি মসজিদ, দুন্দিবাড়ী স্লুইসগেট ,বাসার গেট ,নীলফামারী যাদুঘর ,নীলসাগর,হরিশচন্দ্রের পাঠ, ধর্মপালের গড়, কুন্দপুকুর মাজার,ময়নামতির দূর্গ, ভীমের মায়ের চুলা ইত্যাদি।
বিখ্যাত খাবারের নাম : ডোমারের সন্দেশ 
নদী সমূহ তিস্তা, বুড়িতিস্তা, বুড়িখোড়া ও চাড়ালকাটা

কুড়িগ্রামের দর্শনীয় স্থান- Kurigram, Bangladesh TOUR

কুড়িগ্রামের দর্শনীয় স্থান
চিলমারীর বন্দর:
সাতভিটায় পাখির ভিটারাজারহাট, কুড়িগ্রাম
পাখিদের কষ্ট করে ছানা বড় করতে দেখে আমির উদ্দিনের খুব মায়া হতো। তার বাড়িটিই এখন পাখিদের অভয়ারণ্য। কুড়িগ্রাম জেলা শহর থেকে ৪ কি.মি. দূরে কুড়িগ্রাম-উলিপুর সড়কের পাশে আনন্দবাজার। সেখান থেকে ৩ কি.মি. উত্তরে রাজারহাট উপজেলার সাতভিটা গ্রাম।
উলিপুরের মুন্সিবাড়ি
বাড়ির মোট আয়তন ৩৯ একর। ভবনের ভেতরে ও বাইরে হরেক কারুকাজ। স্থাপত্যশৈলীও মনোহর। মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি বাহিনী বাড়িটির বেশ ক্ষতি করেছে। তবে এখনো যা টিকে আছে, তা পর্যটকদের মুগ্ধ করে। মোগল স্থাপত্যশৈলীর সঙ্গে ব্রিটিশ রীতির মিশেলে বাড়িটি নির্মিত। ঢাকার টেকনিক্যাল মোড় থেকে উলিপুর উপজেলা সদরে যাওয়ার বাস পাওয়া যায়। এরপর রিকশায় মুন্সিবাড়ি যেতে ভাড়া লাগে ৩০ থেকে ৩৫ টাকা
চান্দামারী মসজিদ
রাজারহাট উপজেলার চাকিরপশার ইউনিয়নে চান্দামারী মসজিদ। দৈর্ঘ্য ৪০ ফুট এবং প্রস্থ ২০ ফুট। এর নির্মাণকাজে ভিসকাস নামে এক ধরনের আঠালো পদার্থ ব্যবহৃত রয়েছে। পাঁচ ফুট উঁচু তিনটি বড় দরজা রয়েছে মসজিদে। ওপরে আছে তিনটি বড় গম্বুজ। চারদিকে আছে আরো ছয়টি ছোট গম্বুজ। মিনারের আছে চারটি। কুড়িগ্রাম শহর থেকে রিকশায় চান্দামারী যেতে জনপ্রতি ভাড়া লাগে ৫০ টাকা।
বঙ্গসোনাহাট ব্রিজ
ভূরুঙ্গামারী উপজেলার বঙ্গসোনাহাট ব্রিজটি ১৯০০ সালে নির্মিত। আসাম-বেঙ্গল আর্মি অ্যাকসেস রোডের অংশ হিসেবে ব্রিটিশ সরকার এটি নির্মাণ করে। প্রথম বিশ্বযুদ্ধে সৈন্য চলাচল ও রসদ সরবরাহের কাজে ব্যবহৃত হতো ব্রিজটি। মুক্তিযুদ্ধের সময় ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর ১৯৮৬ সালে পুনরায় চলাচলের উপযোগী হয়। ঢাকার টেকনিক্যাল মোড় থেকে থেকে ভূরুঙ্গামারীর বাস পাওয়া যায়। ভাড়া ৫০০ টাকা। এরপর অটোরিকশা বা ভটভটিযোগে ব্রিজে যেতে জনপ্রতি ভাড়া লাগে ১০ টাকা।
বিখ্যাত খাবারের নাম : ক্ষীর লাল মোহন
নদী সমূহ ব্রক্ষ্মপুত্র, তিস্তা, ধরলা, দুধকুমর,ফলকুমর, নীলকমল, গঙ্গাধর, শিয়ালদহ, কালজানী,বোয়ালমারি, ধরনী, হলহলিয়া, সোনাভরি, জিঞ্জিরাম,জালছিড়া
ঢাকার আসাদগেট বা টেকনিক্যাল মোড় থেকে হানিফ, জবা, নাবিলসহ আরো কিছু পরিবহনের বাসে কুড়িগ্রাম যাওয়া যায়