Showing posts with label song lyrics. Show all posts
Showing posts with label song lyrics. Show all posts

তুই আমার মন ভাল রে -Tui Amar Mon Bhalo Re By Autumnal Moon

 তুই আমার মন ভাল রে
 
 
 

 
তুই আমার মন ভাল রে, আমি তোর মন খারাপ,
তুই আমার আনন্দ রে, আমি তোর অনুতাপ।।

তুই আমার দিন কে করা রাত, আর রাত কে করা রাত,
আমি তোর মন বিস্বাদের কারন, করুন ভায়োলিন।।

তুই আমার মন ভাল রে, আমি তোর মন খারাপ।

তুই আমার জীবন জুড়ে বয়ে যাওয়া সুখের ধারাপাত,
আমি তোর চমকে যাওয়া দূর ঘটনার খবর অকসাধ।।

তুই আমার মন ভাল রে, আমি তোর মন খারাপ।
তুই আমার আনন্দ রে, আমি তোর অনুতাপ।

তুই আমার সূর্য ভোঁরে আলোয় ভাসার অধিকার
আমি তোর রাতের কালোয় ডুবে থাকা অন্ধকার।।

তুই আমার মন ভাল রে, আমি তোর মন খারাপ,
তুই আমার আনন্দ রে, আমি তোর অনুতাপ।।

তুই আমার হাজার দবি পূরণ করার অহংকার,
আমি তোকে কস্ট রাখা ভালবাসার অনাচার।।

তুই আমার মন ভাল রে, আমি তোর মন খারাপ,
তুই আমার আনন্দ রে, আমি তোর অনুতাপ।।

তুই আমার দিন কে করা রাত, আর রাত কে করা রাত,
আমি তোর মন বিস্বাদের কারন, করুন ভায়োলিন।।


তুই আমার মন ভাল রে, আমি তোর মন খারাপ,
তুই আমার আনন্দ রে, আমি তোর অনুতাপ।। 
 
 
 


ছিপ নৌকো by তাহসান-chip nouko by tahsan


 ছিপ নৌকো















আমার ছিপ নৌকোয় এসো, ও 'অন্য মেয়ে'
আড়াল দেয়াল রেখোনা আমার ছিপ নৌকোয় এসো, ও 'অন্য মেয়ে'
লাজুক লিরিক আর কল্পনা

আমার ছিপ নৌকোয় এসো, ও 'অন্য মেয়ে'
দেখ চোখের তারায় জলকণা
আমার ছিপ নৌকোয় এসো, ও 'অন্য মেয়ে'
দেখ লাজুক লিরিক, কল্পনা
আরণ্যক পৃথিবী এক; সে সবার মতো নয়
তাই লাজুক লিরিকগুলো অগুছালোই রয়
অদ্ভুত তার ভুলগুলো, চোখের তারায় ফুলগুলো
উদাস হাওয়ায় উড়ে আনমনা
আমি অতি সাধারণ, অনিন্দ্য কিছু নই
তোমার দেখার চোখটাই অবাক; তাই এমন মনে হয়
অদ্ভুত এই ভুলগুলো, চোখের তারার ফুলগুলো
উদাস হাওয়ায় উড়ে আনমনা
তোমার ছিপ নৌকোয় যাবে, সেই 'অন্য মেয়ে'
তুমিও আড়াল রেখোনা
লাজুক লিরিক আর কল্পনা
আমার ছিপ নৌকোয় এসো, ও 'অন্য মেয়ে'
দেখ চোখের তারায় জলকণা
আমার ছিপ নৌকোয় এসো, ও 'অন্য মেয়ে'
দেখ লাজুক লিরিক, কল্পনা
............................
Title: ছিপ নৌকো
Album: খেয়াল পোকা
Prince Mahmud FEAT. Tahsan & Kona
Lyric & Tune : Prince Mahmud
Singer : Tahsan & Kona

এত কষ্ট কষ্ট লাগে কেন অন্তরে- Warning

এত কষ্ট কষ্ট লাগে কেন অন্তরে
যেন কান্নার কবিতা
তবু হাসতে হাসতে আঁকি আমি ভুল করে
আকি ব্যাথার ছবিটা
পাব হায় সুখের দেখা কি
নিঃসঙ্গ এই আমি একাকি
কেউ জানে কি
কতটা আমি আজ একাকি....

জাগো বাংলাদেশ, জাগো হে স্বদেশ, দেখো ওই সূর্য প্রভাত- দেশাত্মবোধক সঙ্গীত

সব সম্ভবের এক দেশ, সে এক অচেনা স্বদেশ ;
অরাজকতার এক দেশ, হায় আমার বাংলাদেশ;
আলোর রেশ এক নিমেষ, আঁধার হতাশা অবশেষ ।
জাগো বাংলাদেশ, জাগো হে স্বদেশ, দেখো ওই সূর্য প্রভাত;
রুখো দুর্নীতি, নষ্ট রাজনীতি, সন্ত্রাস, মৌলবাদ ।
জাগো বাংলাদেশ, জাগো হে স্বদেশ, দেখো ওই সূর্য প্রভাত;
রুখো দুর্নীতি, নষ্ট রাজনীতি,স্বৈরাচার, সাম্রাজ্যবাদ ।
ফিরে ফিরে আসছে আবার, বুকে সাহস স্বপ্ন দেখার,
কাঁপছে বুকের পাঁজর, মনে পড়ছে আবারো একাত্তর ।
স্বপ্ন ছিল অশেষ, হবে শোষণমুক্ত এক দেশ;
কতো প্রান দিল অনিমেষ, হবে ছোট্ট সোনার এক বাংলাদেশ ।
সেই স্বপ্ন কবেই নিঃশেষ, আজ লুটেরাদের স্বর্গ বাংলাদেশ ;
সেই সপ্নের নেই অবশেষ, আজ দুর্নীতির শীর্ষে বাংলাদেশ ।
নিরপেক্ষ কে আছো এখনো, সুখের থাকবে না রেশ ।
মুক্ত চিন্তা কতো সইছো আঘাত, প্রগতির শক্তি কেন মৌলবাদ ;
কোথায় হারালো সেই মূল্যবোধ, রক্তক্ষরনে মূঢ় স্মৃতিসৌধ ।
নিপীড়িতের নেই অধিকার, নিভৃতে কাঁদে আজ ন্যায় বিচার ;
শুনতে কি পাও হাহাকার, তিরিশ লক্ষ শহীদ আত্মার ।
অসৎ নেতার উত্তরাধিকার, স্বাধীনতার পতাকা হাতে রাজাকার ;
কোটি প্রান হও সোচ্চার, রুখো জঙ্গিবাদের সেই একই রূপকার ।
হে ধর্মনিরপেক্ষ প্রান, বাংলা কি হবে তালেবান ?
জাগো বাংলাদেশ, জাগো হে স্বদেশ, জাগো সব দীপ্ত প্রান
গড়ো প্রতিরোধ, ভুলে পথের ভেদ, এক হও মুক্ত প্রান ।
জাগো বাংলাদেশ, জাগো আমার দেশ, গাও নব জাগরণী গান ;
গড়ো প্রতিরোধ, ভুলে পথের ভেদ, এক হও মুক্ত প্রান ।

মাগো ধন্য হল জীবন আমার তোমায় ভালবেসে -দেশাত্মবোধক সঙ্গীত

মাগো ধন্য হল জীবন আমার তোমায় ভালবেসে
আমি প্রাণ পেয়েছি মান পেয়েছি তোমার কোলে এসে।।
তোমার আশিস পেলে জানি সবকিছু যে মেলে
তোমার হাসি তোমার খুশি ধানের বুকে মেশে।।
তুমি আমার ধাত্রী মাগো তুমি আমার দেশ
খেত-খামারে মাগো তোমার সোনার বরন বেশ।
সোনা তোমার মাটি সে যে সোনার চেয়েও খাঁটি
সকল আঁধার যায়গো ঘুচে কালো রাতের শেষে।।

সবুজের বুকে লাল সূর্যটা ঝলমল- দেশাত্মবোধক গান

সবুজের বুকে লাল সূর্যটা ঝলমল
উচ্ছল প্রাণের বন্যা
আমাদের সোনার দেশ রূপালী নদীর দেশ
সকল সোহাগী রাজকন্যা।।
প্রকৃতির লীলায়িত ছন্দে
বিমোহর রূপে রাখে বন্ধে।
মনি মুক্তার দেশ সোনালী ধানের দেশ।
পৃথিবীর ইতিহাসে ধন্যা।।
দুর্জয় মনোভাব কর্মে
সত্য ন্যায়ের মহা ধর্মে।
গরবী মনের দেশ সূর্য প্রাণের দেশ।
পৃথিবীর রূপে সে অনন্যা।।

যদি নতুন একখান মুখ পাইতাম মইশাইল্যা পানের খিলি তারে বানাই খাওইতাম- পল্লীগীতি

যদি সুন্দর একখান মুখ পাইতাম
যদি নতুন একখান মুখ পাইতাম
মইশাইল্যা পানের খিলি তারে বানাই খাওইতাম।।
একদিনে নাই ডাকি তারে। হাউশের পিরীত শিখাইতাম।
আমি হাউশের পিরীত শিখাইতাম
মইশখাইল্যা পানের খিলি তারে বানাই খাওইতাম।।
নয়া মুখের নয়া কথা হুনিতে সুন্দর
মাঝে মাঝে পান চিবাইত হাসির ভিতর।
প্রেমের মালা দুনো হাতে। তারে গলাত পরাইতাম।
আমি তারে গলাত পরাইতাম
মইশখাইল্যা পানের খিলি তারে বানাই খাওইতাম।।
রসের কথা, রসের পিরীত যদি ন জানে
দুইয়ান একখান কইতাম তারে প্রেমের কারণে।
নর-নারীর হাউশের পিরীত। কি মজা তারে বুঝাইতাম
আমি কি মজা তারে বুঝাইতাম।
মইশখাইল্যা পানের খিলি তারে বানাই খাওইতাম।।

মাঝি বাইয়া যাও রে। অকুল দরিয়ার মাঝে- পল্লীগীতি

মাঝি বাইয়া যাও রে।
অকুল দরিয়ার মাঝে
আমার ভাঙা নাও রে।।
ভেন্না কাষ্ঠের নৌকা খানি।
মাঝখানে তার বুরা
(নৌকার) আগার থাইকা পাছায় গেলে।
গলুই যাবে খইয়া রে।।
দীক্ষা শিক্ষা না হইতে
আগে করছো বিয়া।
(তুমি) বিনে খতে গোলাম হইলে
গাইটের টাকা দিয়া রে।।
বিদেশে বিপাকে যারও
বেটা মারা যায়।
পাড়া-পরশি না জানিয়ে
জানে তারও মা’য়ও রে।।

নাও ছাড়িয়া দে পাল উড়াইয়া দে- পল্লীগীতি

নাও ছাড়িয়া দে পাল উড়াইয়া দে
ছল ছলাইয়া চলুক রে নাও মাঝ দইরা দিয়া চলুক মাঝ দইরা দিয়া।।
উড়ালি বিড়ালি বাওয়ে নাওয়ের বাদাম নড়ে (আরে)।
আথালি পাথালি পানি ছলাৎ। ছলাৎ করে রে।
আরে খল খলাইয়া হাইসা উঠে
বৈঠার হাতল চাইয়া হাসে, বৌঠার হাতল চাইয়া।।
ঢেউয়ের তালে পাওয়ের ফালে নাওয়ের গলই কাঁপে
তির তিরাইয়া নাওয়ের খৈয়াই রোইদ তুফান মাপে,
মাপে রোইদ তুফান মাপে
চিরলি পিরলি পুলে ভ্রমর-ভ্রমরী খেলে রে (আরে)।
বাদল উদালি কায়ে পানিতে জমিতে হেলে রে
আরে তুর তুরাইয়া আইলো দেওয়া *** হাতে এলইয়া।
শালি ধানের শ্যামলা বনে হইলদা পঙ্খি ডাকে
চিকমিকাইয়া হাসে রে চান সইশা ক্ষেতের ফাকে
ফাকে সইশা ক্ষতের ফাকে
সোনালি রূপালি রঙে রাঙা হইলো নদী (আরে)।
মিতালী পাতাইতাম মুই মনের মিতা পাইতাম যদি রে
আরে ঝিলমিলাইয়া খালর পানি নাচে থৈইয়া থৈইয়া
পানি নাচে থৈইয়া থৈইয়া।।

বাঁশী তুই বাজিস নারে বাড়ে বুকের জ্বালা- বাউল সঙ্গীত

বাঁশী তুই বাজিস নারে
বাড়ে বুকের জ্বালা
কেমন করে বোঝাই তোরে
আমি যে অবলা
বাঁশী বাজিস নারে
বাঁশী তুই তোর সুরেতে গানের খেয়া
(ওরে) জলে ভাসা নাও
গুনগুনাগুন মনের আগুন
জলে নেভে না
ওপার বাঁশী বাজিস বাঁকা
এপার বসে কাঁদি একা গো
আমার মনের নদী ঢেউ খেলে যায়
হইল পরান কালা
বাঁশী তোর বাঁশের আগায়
জনম রে তোর
বিষে ভরা অন্তরে তোর
হাতে যদি পাইতাম তোরে (ও বাঁশী)
ভাঙিতাম এ কেল্লা

ভাটির দেশের মাঝি তুমি’রে যাও ভাঠিয়ালী গাইয়া- বাউল সঙ্গীত

ভাটির দেশের মাঝি তুমি’রে
যাও ভাঠিয়ালী গাইয়া।
এই অভাগী আছি তোমার পন্থপানে চাইয়া ।।
উজান দেশে পড়ে আছি, নাইওর যাইবার আশে –
পন্থপানে চাইয়া থাকি মাঝি, আমার নি কেউ আসে।
দিন কাটে মোর হা হুতাশে, আপন দেশ ভাবিয়া।।
রঙ বেরংয়ের পাল উড়াইয়া, কত মাঝি যায় –
হাতে ধরি পায়ে পড়ি মাঝি কেউ না ফিরে চায়।
সঙ্গে তো কেউ নেয়না আমায়, দূঃখে ফাটে হিয়া।।
মাঝি তোমার পায়ে ধরি, এই মিনতি করি –
আপন দেশে যাব আমি, নেওনা সঙ্গে করি।
নেও না যদি যাব মরি, বিষের বড়ি খাইয়া।।
দুর প্রবাসের বৈরী হাওয়া আর কত সহিবো-
ভিনদেশের প্রবাসী হইয়া পড়িয়া রহিবো।
ফকির কাকন সঙ্গী হব, নৌকা দেও ভিড়াইয়া।।

মন হারালে মন পাওয়া যায় দেহ গেলে দেহ- বাউল

মন হারালে মন পাওয়া যায়
দেহ গেলে দেহ
আমি যদি একবার হারাই
পাবে না আর কেহ ।
ছিলাম একা শূন্য ঘরে
সর্ব সুখের রাজা
কে আমারে ভবে এনে
বানালো তার প্রজা ।
আবার শূন্যে তুলে নেবে
ছাড়ব সোনার গৃহ ।
শূন্যে মাঝে শেষ ঠিকানা
শূন্যে উড়াই পাল
ভেসে যাব শূন্যে আমি
থাকবো চিরকাল ।
শূন্যে যে আজ একের খেলা
মুক্তি পাইলো দেহ ।
শূন্যে আছি শূন্যে রব
পাবে না কেউ দেখা
বিলীন হবো শূন্যে আমি
এই কপালে লেখা ।
মামুন মিজান ভাবছে বসে
ছেড়ে সংসার স্নেহ ।

কেন চলে গেলে দূরে ভাসায় মোরে সুরে- ভাটিয়ালি

কেন চলে গেলে দূরে
ভাসায় মোরে সুরে
কেন ফিরে এলে না আবার
বাড়াতে দুঃখের বার
কেন চলে গেলে দূরে
ভাসায় মোরে সুরে
কেন চলে গেলে দূরে
বেদনার রংধনু
চেয়েছিল মোর অন্তর
দুঃখের সুখের ঘর বাঁধিনু
বাঁধিনু ও দয়ে প্রান্তর।
আজ এই ঝড় এসে
বাধন গেছে চুটে
অসীমতার দুঃখ আর
অনন্ত পারাপার।।

ফাগুনের পূর্ণিমা এল কার লিপি হাতে। বাণী তার বুঝি না রে, ভরে মন বেদনাতে- ভাটিয়ালি

ফাগুনের পূর্ণিমা এল কার লিপি হাতে।
বাণী তার বুঝি না রে, ভরে মন বেদনাতে॥
উদয়শৈলমূলে জীবনের কোন্‌ কূলে
এই বাণী জেগেছিল কবে কোন্‌ মধুরাতে॥
মাধবীর মঞ্জরী মনে আনে বারে বারে
বরণের মালা গাঁথা স্মরণের পরপারে।
সমীরণে কোন্‌ মায়া ফিরিছে স্বপনকায়া,
বেণুবনে কাঁপে ছায়া অলখ-চরণ-পাতে॥

রাগ: খাম্বাজ
তাল: কাহারবা
রচনাকাল (বঙ্গাব্দ): পৌষ, ১৩২৯
রচনাকাল (খৃষ্টাব্দ): 1923

নাইয়া রে নায়ের বাদাম তুইলা কোন দূরে যাও চইলা- ভাটিয়ালি

নাইয়া রে নায়ের বাদাম তুইলা
কোন দূরে যাও চইলা।
অচিনা সায়রের মাঝি সেই কথা যাও বইলা।।
নাইয়ারে ভাটির দেশে যাও
যদি তুমি হিজলতলির হাটে
হেথায় আমার ভাইজান থাকে
আমার কথা কইয়ো তাকে
মইলাম দিখে জ্বইলা
কোন দূরে যাও চইলা
নাইয়ারে পরানে আর সইবে কত
আগুন জ্বলে মনে
বনের আগুন দেখতে পারে
মনের আগুন পুইড়া মারে।
ধিকিধিকি জ্বইলা
কোন দূরে যাও চইলা।।

মাটির পিঞ্জরার মাঝে বন্দি হইয়ারে- হাসন রাজা

মাটির পিঞ্জরার মাঝে বন্দি হইয়ারে
কান্দে হাসন রাজার মন মুনিয়ায়রে।
মায়ে বাপে বন্দি কইলা খুশির মাজারে।
লালা ধলায় হইলাম বন্দি পিঞ্জরার ভিতরে।।
কান্দে হাসন রাজার মন মুনিয়ায়রে
পিঞ্জরায় সামাইয়া রে ময়নায় ছটফট ছটফট করে।
মজবুত পিঞ্জরা ময়নায় ভাঙ্গিতে না পারে রে।।
কান্দে হাসন রাজার মন মুনিয়ায়রে
উড়িয়া যাইবো শুয়া পাখি পড়িয়া রইবো কায়া।
কিসের দেশ কিসের কেশ কিসের মায়া দয়া
কান্দে হাসন রাজার মন মুনিয়ায়রে
হাসন রাজায় ডাকবো যখন ময়না আয়রে আয়।
এমন নিষ্ঠুর ময়নায় আর কী ফিরিয়া চায়
কান্দে হাসন রাজার মন মুনিয়ায়রে।।

নিশা লাগিলো রে- হাসন রাজা

নিশা লাগিলো রে
বাকা দুই নয়নে
নিশা লাগিলো রে
হাছন রাজা
পিয়ারির প্রেমে মজিলো রে ।।
ছটফট করে হাছন দেখিয়া চান্দ মুখ
হাছন জানের মুখ দেখি জনমের গেলো দুখ ।
হাছন জানের রূপটা দেখি ফাল ফাল দি উঠে ।।
চিরাবারা হাছন রাজার
বুকের মাঝে ফুটে ।
নিশা লাগিলো রে
বাকা দুই নয়নে
নিশা লাগিলো রে
হাছন রাজা
পিয়ারির প্রেমে মজিলো রে ।।

শুনাও তোমার অমৃত বাণী, অধমে ডাকি, চরণে আনি- রবীন্দ্র সঙ্গীত

শুনাও তোমার অমৃত বাণী,
অধমে ডাকি, চরণে আনি।
সতত নিষ্ফল শত কোলাহলে,
ক্লিষ্ট শ্রুতি যুগ কত হলাহলে
শুনাও হে-
শুনাও শীতল মনোরসায়ন
প্রেম-সুমধুর মন্ত্রখানি।
হউক সে ধ্বনি দিক প্রসারিত
মিশ্র কলরব ছাপিয়া,
উঠুক সে ধবনি শিহরি’ পুলকে
কাঁপিয়া, সুখে কাঁপিয়া,
বিতরি’এ ভবে শুভ বরাভয় ;
রুগ্মে করি’;হরি চির নিরাময়,
শুনাও হে-
শুনাও দুর্বল চিত্ত, হে হরি!
তোমারি শ্রীপদ নিকটে টানি।।

বড় আশা করে এসেছি গো কাছে ডেকে লও- রবীন্দ্র সঙ্গীত

বড় আশা করে এসেছি গো
কাছে ডেকে লও
ফিরাইও না জননী।
দিনহীনে কেহ চাহে না
তুমি তারে রাখিবে জানি গো।
আর আমি যে কিছু চাহিনে
চরণও তলে বসে থাকিব,
আর আমি যে কিছু চাহিনে
জননী বলে শুধু ডাকিব।
তুমি না রাখিলে গৃহ আর পাইব কোথায়
কেঁদে কেঁদে কোথা বেড়াব
ঐ যে হেরী
তমশ ঘন ঘরা
গহন রজনী।

আধখানা চাঁদ হাসিছে আকাশে-নজরুল সঙ্গীত

আধখানা চাঁদ হাসিছে আকাশে
আধখানা চাঁদ নিচে
প্রিয়া তব মুখে ঝলকিছে
গগণে জ্বলিছে অগনন তারা
দুটি তারা ধরণীতে
প্রিয়া তব চোখে চমকিছে ।
তড়িত লতার ছিঁড়িয়া আধেকখানি
জড়িত তোমার জরিন ফিতায় রাণী
অঝোরে ঝরিছে নীল নভে বারি
দুইটি বিন্দু তারি
প্রিয়া তব আঁখি বরছিসে ।
মধুর কন্ঠে বিহগ বিলাপ গাহে
গান ভুলি তারা তব অঙ্গনে চাহে
তাহারও অধিক সুমধুর সুর তব
চুড়ি কঙ্কনে ঝনকিছে ।