Showing posts with label Blogger. Show all posts
Showing posts with label Blogger. Show all posts

Bangla Blogging: ব্লগারে কিভাবে বাংলা ব্লগ তৈরী করবেন

Bangla Blogging: ব্লগারে কিভাবে বাংলা ব্লগ তৈরী করবেন

ব্লগারে ব্লগ তৈরী সুবিধে অনেক। বিনামুল্যের ব্লগ তৈরী করা যায়, ব্লগ থেকে অর্থ উপার্জনে কোন সীমাবদ্ধতা নেই, ব্যবহার সহজ, পছন্দমত টেম্পলেট ব্যবহার করে
ব্ল
কে সুন্দর করা যায়। সম্প্রতি মোবাইল ফোনে ব্লগার ব্লগ দেখার ব্যবস্থা যোগ করা হয়েছে। বাংলায় ব্লগ পোষ্ট, পোষ্ট টাইটেল ইত্যাদি তৈরীও সহজ। ব্লগার ফোনেটিক বাংলা সাপোর্ট করে। আপনি ইংরেজি বানানে বাংলা লিখলে ব্লগার নিজেই তাকে বাংলায় পরিনত করে। এছাড়া অন্য যায়গায় টাইপ করে কপি-পেষ্ট করার ব্যবস্থা তো রয়েছেই।
তারপরও পুরোপুরি বাংলা ব্লগের জন্য কিছু বিষয় পৃথকভাবে করে নিতে হয়। যেমন বাংলায় ব্লগ টাইটেল কিংবা বাংলায় মেনু। কাজগুলি কিভাবে করবেন জেনে নিন।


বাংলায় ব্লগ টাইটেল লেখা
.          ব্লগার ড্যাসবোর্ড থেকে Setting ট্যাবে ক্লিক করুন।
.          Basic ট্যাব সিলেক্ট করুন।
.          Title অংশে বাংলায় ব্লগের নাম টাইপ করুন।
.          Description অংশে বাংলায় ব্লগের বিবরন টাইপ করুন।
.          save বাটনে ক্লিক করুন।

বাংলায় মেনু লেখা
.          ব্লগার ড্যাসবোর্ড থেকে Design সিলেক্ট করুন।
.          Edit HTML ট্যাব সিলেক্ট করুন। আপনার টেম্পলেটের কোড দেখা যাবে।
.          মেনুর যে শব্দটি বাংলায় পরিনত করতে চান সেটা খুজে বের করুন। Ctrl-F কমান্ড দিয়ে সার্চ করে বের করতে পারেন।
.          ইংরেজি শব্দের বদলে বাংলা শব্দ টাইপ করে দিন।
.          Preview বাটনে ক্লিক করে প্রিভিউ দেখে নিন।
.          Save Template বাটনে ক্লিক করুন।

টেম্পলেটের কোন পরিবর্তন করার আগে Download Full Template কমান্ড দিয়ে ব্যাকআপ করে নেয়া ভাল।

বাংলা ব্লগের ক্ষেত্রে ব্লগারে একটি সমস্যা থেকে গেছে। গুগল আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলা ভাষা ব্যবহার করে না, ফলে পোষ্ট টাইটেল বাংলায় লিখকে সেটা বাংলায় সেভ হয় না, পরিবর্তে ইংরেজিতে ব্লগপোষ্ট এর পর একটি সংখ্যা হিসেবে সেভ হয়। সার্চ ইঞ্জিনের সাহায্যে আর্টিকেল পেতে সমস্যা হয় না কিন্তু ব্লগার মেইন্টেনেন্সর সময় এতে অসুবিধেয় পড়েন। এর সমাধান করতে পারেন ঘুরপথে।
.          পোষ্টের টাইটেল ইংরেজিতে লিখুন
.          সেভ করে পোষ্ট করুন।
.          এডিট করুন এবং পোষ্টের নাম পাল্টে বাংলা করে দিন।

ব্লগার ব্লগকে ওয়ার্ডপ্রেসে ব্যবহার

ব্লগার ব্লগকে ওয়ার্ডপ্রেসে ব্যবহার

ব্লগিং এর শুরুতে ব্লগারে ব্লগ ব্যবহারের সুবিধে অনেকগুলি। এতে কোন খরচ নেই, খুব সহজে, যে কোন সময়ে তৈরী করে নেয়া যায়, কোন ধরনের বিধিনিষেধ নেই বলে একে আয়ের জন্য ব্যবহার করা যায়। আর এর ব্যবহার খুবই সহজ। অন্তত অন্যান্য ব্লগিং ব্যবস্থার তুলনায়।
ব্লগিং এর অভিজ্ঞতা লাভ করার পর হয়ত ব্লগার সম্পর্কে এই ধারনা পাল্টে যেতে পারে। আপনি যখন ব্লগিং এর সুবিধে-অসুবিধে সম্পর্কে জানেন, ভিজিটর বাড়ায় প্রয়োজন বেড়েছে এবং আয় আসতে শুরু করায় অর্থ ব্যয় করার সংগতি হয়েছে। আপনি হয়ত ব্লগকে ওয়ার্ডপ্রেস ব্লগে পরিনত করে নিজস্ব হোষ্টিং ব্যবহার করতে চান। কাজটি কিভাবে করবেন জেনে নিন।
আপনার কাজ ৩টি। ব্লগারের সাইটের ব্যাকআপ নেয়া এবং তাকে ওয়ার্ডপ্রেসে পরিনত করা, এরপর ওয়ার্ডপ্রেসে ইমপোর্ট করা।
ব্লগার থেকে ব্যাকআপ নেয়ার জন্য যা করবেন;
.          ড্যাসবোর্ডে Setting ক্লিক করুন
.          Basic ট্যাব সিলেক্ট করুন।
.          Blog Tools অংশে Export লিংকে ক্লিক করুন।
.          Download Blog ক্লিক করুন।
আপনার পুরো ব্লগ ফাইল হিসেবে ডাউনলোড হবে।

ব্লগার ব্লগকে ওয়ার্ডপ্রেসে পরিনত করা
ব্লগার ব্লগকে ওয়ার্ডপ্রেসে পরিনত করার জন্য ওয়েবভিত্তিক টুল ব্যবহার করা যায়।
.          ব্রাউজার ওপেন করুন এবং  http://blogger2wordpress.appspot.com/ সাইটে যান।
.          Browse বাটনে ক্লিক করে ডাউনলোড করা ফাইলটি ব্যবহার করুন।
.          Convert বাটনে ক্লিক করুন।
কিছুক্ষনের মধ্যে আপনার ব্লগটি ওয়ার্ডপ্রেস ফরম্যাটে পাওয়া যাবে।

ওয়ার্ডপ্রেসে ইমপোর্ট করা
.          ড্যাসবোর্ডে যান।
.          Tools অংশে Import সিলেক্ট করুন।
.          কনভার্ট করা ফাইলটি ব্যবহার করুন।
আপনার ব্লগার ব্লগের সবকিছু ওয়ার্ডপ্রেস ব্লগে পাওয়া যাবে।

ব্লগারে পছন্দমত টেম্পলেট (থিম) ব্যবহার

ব্লগারে পছন্দমত টেম্পলেট (থিম) ব্যবহার

গুগলের ব্লগিং ব্যবস্থা ব্লগার ( www.blogger.com ) জনপ্রিয় অনেক কারনে। ব্লগ তৈরী জন্য আপনার শুধুমাত্র ইমেইল থাকাই যথেস্ট। তাদের সাইটে যান, ব্লগের নাম-পরিচয় লিখে দিন, একটি টেম্পলটে সিলেক্ট করুন, ব্লগিং শুরু করুন। কি করতে হবে লেখা রয়েছে বাংলায় কাজেই ভাষাগত সমস্যাও নেই। কোন খরচ নেই। 
আর ব্লগ তৈরীই শুধু না, তৈরীর পর তাকে যেকোন ধরনের কাজে ব্যবহার করা যাবে। এডসেন্স যোগ করে আয় করুন, অন্যের বিজ্ঞাপন সাইটে রেখে অর্থ উপার্জন করুন, অনলাইন দোকান হিসেবে ব্যবহার করে ব্যবসা করুন, অন্য যতরকমভাবে পদ্ধতি রয়েছে সবকিছু করুন, কাউকে টাকা দিতে হবে না।
ব্লগার এর সাইটকে নিজের ইচ্ছেমত কোড লিখে পরিবর্তন করা যায়। নিজস্ব টেম্পলেট তৈরী করে ব্যবহার করা যায়। আবার যারা প্রফেশনাল কাজের জন্য টেম্পলেট তৈরী করেন তাদের তৈরী টেম্পলেট ব্যবহার করা যায়।
ইন্টারনেটে বহু সাইট রয়েছে যেখানে ব্লগারের টেম্পলেট পাওয়া যাবে। সেখানে দুধরনের টেম্পলেট পাবেন, একধররেনর টেম্পলেট বিনামুল্যে ডাউনলোড করে ব্যবহার করতে পারেন, আরেক ধরনের টেম্পলেট ব্যবহারের জন্য টাকা দিয়ে কিনতে হয়।
যে ধরনের টেম্পলেটই হোক, সেটা ব্যবহার করবেন কিভাবে জেনে নিন।
.          ব্লগার ড্যাসবোর্ডে যান।
.          Design লিংকে ক্লিক করুন এবং Edit HTML ট্যাবে যান
.          Download Full Template বাটনে ক্লিক করে আগের টেম্পলেট সেভ করুন (জরুরী, কোন সমস্যা হলে আগের যায়গায় ফেরা প্রয়োজন হতে পারে।।
.          Browse বাটনে ক্লিক করে আপনার হার্ডডিস্কের টেম্পলেটটি সিলেক্ট করুন এবং Upload বাটনে ক্লিক করুন।
.          Preview  বাটনে ক্লিক করুন।
.          সবকিছু ঠিক থাকলে বাটনে Save Template ক্লিক করুন।

কাজেই, আপনাকে একটি থিম নিয়ে সন্তুষ্ট থাকতে হবে এমন কথা নেই। এই মুহুর্তে পছন্দের টেম্পেলট যদি নাও থাকে, পরবর্তীতে যে কোন সময় সেটা পরিবর্তনের সুযোগ পাবেন।

www.BTemplates.com   সাইটে শতশত বিনামুল্যের টেম্পলেট রয়েছে। সেখান থেকে পছন্দ করে ডাউনলোড করে নিতে পারেন।

Blogging: ব্লগ লিখুন হলিউড ষ্টাইলে

Blogging: ব্লগ লিখুন হলিউড ষ্টাইলে

তিন দশক আগে সিড ফিল্ড (syd field) বর্ননা করেছিলেন গল্পকে কিভাবে আকর্ষনীয় করে উপস্থাপন করা যায়। তিনি বর্ননা করেছিলেন হলিউডের স্ক্রিপ্ট রাইটিং এর
কৌশল। এনিয়ে ভিডিও পাওয়া যায়, ওয়েবসাইট রয়েছে তার নামে। হলিউডের শুরু থেকে বর্তমান কালের অবতার পর্যন্ত যত জনপ্রিয় হলিউডি মুভি রয়েছে সবযায়গাতেই রয়েছে সেই কৌশল।
মুল বক্তব্য একটাই, আগ্রহ ধরে রাখা। ব্লগ তৈরীর সময় ব্লগারের প্রথম লক্ষ্য ভিজিটরকে আগ্রহি করে তোলা, ধরে রাখা এবং পরবর্তীতে আবার সাইটে আসার মনোভাব তৈরী করা। আপনিও এই কৌশল ব্যবহার করতে পারেন।
তিনি একে তিনভাগে ভাগ করে নাম দিয়েছেন set-up, confrontation এবং resolution. এগুলি হচ্ছে;
.          মুল বিষয় বলা ছাড়াও শুরুতেই আগ্রহ জাগিয়ে তোলা। যে বিষয়ে আর্টিকেল লিখছেন সেই বিষয় সম্পর্কে আকর্ষনীয় কিছু তুলে ধরা। রহস্য গল্পের ক্ষেত্রে রহস্য কি সেটা বলার সাথে তুলনা করতে পারেন। পাঠককে রহস্য সম্পর্কে জানানো যেন তিনি তার সমাধানের জন্য পরের অংশগুলিতে আগ্রহ দেখান। এই অংশের ওপর নির্ভর করে ভিজিটর আপনার লেখা আরো পড়বেন নাকি সেখান থেকেই ফিরে যাবেন। সেড ফিল্ডে হিসেবে লেখার প্রথম এক-চতুর্থাংশ একাজের জন্য।
.          লেখার অর্ধেক পর্যন্ত দ্বিতীয় অংশ। আপনার বিষয় স্পষ্ট করা হবে ভিজিটরের কাছে। যাকিছু তথ্য তা প্রকাশ করা হবে এখানে। ভিজিটর একসময় আপনার সাথে একাত্ব হবেন।
.          তৃতীয় অংশে আপনার চুড়ান্ত বক্তব্য এবং সিদ্ধান্ত। রহস্য হল্পের ক্ষেত্রে অপরাধীকে ধরার মুহুর্ত হিসেবে কল্পনা করতে পারেন। এই মুহুর্তের জন্যই পাঠক কিংবা দর্শক অপেক্ষা করেন। যে কারনে আপনার ব্লগ (পোষ্ট) সেই কারনটি এখানে জানান।
এথেকে আপনি কি ফল পেতে পারেন ?
আগ্রহি ভিজিটর সহসাই আপনার সাইট থেকে চলে যাবেন না। আপনি যে বক্তব্য তুলে ধরতে চান তাকে সেই বক্তব্য বুঝানো সহজ। তিনি আপনার পথ অনুসরন করবেন। নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে কাজ করায় আপনি প্রতিযোগি ব্লগার থেকে এগিয়ে থাকবেন। ভিজিটররা আগ্রহ নিয়ে আবারও আপনার সাইটে আসবে।
আগ্রহি হলে সিড ফিল্ডের প্যারাডাইম মুভি দেখে নিতে পারেন। অথবা ভিজিট করতে পারেন স্ক্রিপ্ট রাইটিং এর জন্য তার ওয়েবসাইটে।

ব্লগিং থেকে আয়ের মুলমন্ত্র, blogging

ব্লগিং থেকে আয়ের মুলমন্ত্র, blogging

ইন্টারনেট থেকে আয়ের কথা যখন বলা হয় তখনই বলা হয় ব্লগ তৈরীর কথা। ব্লগকে ঘিরেই যত আয়, এডসেন্স, বিজ্ঞাপন, এফিলিয়েটেড মার্কেটিং, ই-মেইল মার্কেটিং
ইত্যাদি ইত্যাদি। অনেক সময়ই উদাহরন হিসেবে সফল কারো কথা উল্লেখ করা হয়। তার সাইটে দৈনিক ভিজিটের পরিমান কয়েক লক্ষ, এডসেন্স থেকে দৈনিক আয় হাজার ডলার।
এধরনের উদাহরন সবসময় সঠিক চিত্র তুলে ধরে না। অনেকেই অন্য আরেকজনকে অনুসরন করতে চেষ্টা করেন এবং তারমত ফল না পেয়ে দ্রুতই নিরাশ হয়ে ব্লগিং থেকে সরে যান। আপনি অত্যন্ত গুরুত্বপুর্ন বিষয় নিয়ে ব্লগ তৈরী করছেন তার অর্থ এই না যে সেখানে মানুষ ভীড় জমাবে। বরং এমন যায়গায় ভীড় জমাতে পারেন যেখানে আদৌ কোন বক্তব্য নেই। যদি টিভির সাথে ব্লগকে তুলনা করেন তাহলে অনায়াসে যাচাই করতে পারেন, বেশিরভাগ দর্শক গুরুত্বপুর্ন অনুস্ঠানের বদলে অর্থহীন অনুস্ঠান দেখে বেশি সময় কাটায়।
এই কথাগুলি থেকে আপনি কি শিখতে পারেন ?
আপনার একটা বক্তব্য হতে পারে, যেভাবে ব্লগ তৈরী করলে বেশি মানুষ পাওয়া যায় আমার সেটাই করা উচিত।
আরেক বক্তব্য হতে পারে, আজ অমুক ব্লগ জনপ্রিয় কিন্তু দুবছর পর, পাচ বছর পর আমি টিকে থাকব। ওই ব্লগের কথা কেউ স্মরন করবে না।
এই দুইয়ের যেকোন পথেই আপনি লাভের মুখ দেখতে পারেন। একপথে সাথেসাথে লাভ। যদি অত্যন্ত বিচক্ষন হন তাহলে সময়ের সাথেসাথে ব্লগিং এর পরিবর্তন করে নতুন দিকে যেতে পারেন। ভিজিটরের সংখ্যা কমতে শুরু করার সাথেসাথে তার কারন বের করা এবং নতুন পথ খোজা।
অন্যটি হচ্ছে দীর্ঘস্থায়ী উপকারী বিষয় নিয়ে ব্লগ চালিয়ে যাওয়া। সামান্য একটু পরামর্শ যদি কেউ আপনার কাছে পান তিনি আপনার কথা মনে রাখবেন। এভাবেই ক্রমে আপনার ভিজিটর বাড়তে থাকবে। পথ পরিবর্তনের প্রয়োজন দেখা দেবে না। এই মুহুর্তে ব্লগিং থেকে আয় হয়ত সামান্য, কিংবা একেবারেই নেই। কোন একসময় আপনি অন্যদের ছাড়িয়ে যাবেন।
ব্লগকে টিভির সাথে তুলনা করা হয়েছে। এবার গানের সাথে তুলনা করে দেখুন। নতুন একজন শিল্পীর গান গান কতটা জনপ্রিয় হয় নিশ্চয়ই লক্ষ করেছেন। মানুষের মুখে মুখে ফেরে, রাস্তাঘাটে মাইকে বাজে। তারপর আরেকজন এসে তার যায়গা দখল করে। কয়েকমাস আগের ঝড় তোলা সেই গান শুনলে মানুষ বিরক্ত হয়।
অথচ ৫০ বছর আগে গাওয়া লতা মঙ্গেশকরের গান মানুষ মনোযোগ দিয়ে শোনে।

ব্লগার বনাম ওয়ার্ডপ্রেস : কোনটি ব্যবহার করবেন

ব্লগার বনাম ওয়ার্ডপ্রেস : কোনটি ব্যবহার করবেন 

 

ব্লগার এবং ওয়ার্ডপ্রেস, ব্লগারদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয় দুটি ব্যবস্থা। দুটিতেই বিনামুল্যে ব্লগ তৈরী করা যায়। অর্থাত তাদের সাইটে গিয়ে ফরম পুরন করলেই চলে, সাথেসাথে একটি ব্লগের মালিক হবেন। ডোমেন কিংবা হোষ্টিং এর খরচ নেই। নিজস্ব ডোমেন থেকে পার্থক্য এটুকুই, আপনার সাইটের নামের সাথে blogspot অথবা wordpress লেখা থাকবে। কিন্তু তাতেই বা কি আসে যায়! ওয়েবসাইটে মুলত ভিজিটর আসে সার্চ ইঞ্জিন ব্যবহার করে, সার্চের মাধ্যমে। তারা ওয়েব এড্রেস নিয়ে মাথা ঘামায় না।
দুটি সফটঅয়্যারের রয়েছে নিজস্ব সুবিধা এবং অসুবিধা। আপনার জন্য কোনটি উপযোগি তা ঠিক করার জন্য সেগুলি জানা গুরুত্বপুর্ন। দুটি সফটঅয়্যারের সুবিধে এবং অসুবিধেগুলি দেখা যাক।

ওয়ার্ডপ্রেসের সুবিধে
.          ওয়ার্ডপ্রেস অত্যন্ত শক্তিশালি সিএমএস সফটঅয়্যার। নিউ ইয়র্ক টাইমসের মত অনলাইন পত্রিকা এই সফটঅয়্যার ব্যবহার করে। কাজেই সাধারন ব্লগই হোক আর জটিল কেনাকাটার সাইটই হোক, এখানে সবই করা যায়।
.          বিভিন্ন সার্চ ইঞ্জিনে ব্লগের তথ্য পাঠানোর জন্য কিছুই করতে হয় না। ওয়ার্ডপ্রেস নিজেই এই কাজ করে দেয়।
.          ব্যবহারের জন্য রয়েছে অনেকগুলি থিম। আপনার পছন্দমত থিম সিলেক্ট করুন এবং ইচ্ছেমত উইজেট সিলেক্ট করুন। যাকিছু প্রয়োজন সবই পাওয়া যাবে।
.          আপনি বিনামুল্যে ৩ গিগাবাইট যায়গা পাবেন। সাধারনভাবে এই যায়গা যথেষ্ট। প্রয়োজনে টাকা দিয়ে এই যায়গা বাড়ানো যায়।
.          যে কোনসময় নিজস্ব সার্ভারে ট্রান্সফার করতে পারেন। অথবা তাদের টাকা দিয়ে সেখানেও নিজস্ব হোষ্টিং এর সুবিধে পেতে পারেন।

ওয়ার্ডপ্রেসের সীমাবদ্ধতা
.          বিনামুল্যের হোষ্টিং ব্যবহার করলে টেক্সট, ইমেজ, পাওয়ার পয়েন্ট, পিডিএফ ইত্যাদি কয়েকটি ফরম্যাটের বাইরে অন্য ফরম্যাট ব্যবহার করা যায় না। করতে চাইলে টাকা দিতে হয়।
.          তাদের নিজস্ব থিম ব্যবহার করতে হয়।
.           এইচটিএমএল এডিট করা যায় না, ফলে ওয়েব পেজে কোন পরিবর্তন করা যায় না। অর্থ দিয়ে ফন্ট জাতিয় কিছু পরিবর্তনের সুযোগ পাওয়া যায়।
.          এডসেন্স, বিজ্ঞাপন ইত্যাদি ব্যবহার করা যায় না, ফলে সাইট ব্যবহার করে আয় করার সুযোগ নেই।

ব্লগারের সুবিধে
.          ব্লগার ব্যবহার সহজ। রেজিষ্টার করার সাথেসাথেই ব্যবহার করা যায়।
.          তাদের নিজস্ব থিমের বাইরে যেকোন থিম ব্যবহার করা যায়।
.          ইএচটিএমএল এডিট করা যায়। ফলে সাইটে যেকোনধরনের পরিবর্তন করা যায়।
.          এডসেন্স, বিজ্ঞাপন ইত্যাদি ব্যবহার করে আয় করা যায়।
.          ছবি, ভিডিও ইত্যাদি সবকিছুই ব্যবহার করা যায়।
.          যায়গার সীমাবদ্ধতা নেই। যতটা প্রয়োজন ততটাই ব্যবহারের সুযোগ রয়েছে।

ব্লগারের সীমাবদ্ধতা
.          সফটঅয়্যার ডাউনলোড করে ওয়ার্ডপ্রেসের মত ব্যবহার করা যায় না। নিজস্ব ডোমেন ব্যবহার করলেও তাদের মাধ্যমে করতে হয়।
.          কোড পরিবর্তনের সুযোগ থাকলেও গুগলের ফর্মূলার সাথে না মেলায় কোড মুছে দেয়ার কুখ্যাতি রয়েছে।
.          নিজে থেকে সার্চ ইঞ্জিনে তথ্য যায় না। অবশ্য সার্চ ইঞ্জিনের স্পাইডার নিজে সাইট সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহের যে কাজ করে তাতে তথ্য সার্চ ইঞ্জিনে যায়।

ব্লগার নাকি ওয়ার্ডপ্রেস, কোনটি ব্যবহার করবেন বিষয়টি আপনার কাজের ধরনের ওপর নির্ভর করে। যদি নিজস্ব ডোমেন/হোষ্টিং ব্যবহার করেন তাহলে ওয়ার্ডপ্রেস থেকে বেশি সুবিধে পাওয়া যাবে। আয়ের চিন্তা না করে যদি ব্লগিং মুলকথা হয় তাহলেও ওয়ার্ডপ্রেস খুব ভাল যায়গা।
আর ডোমেন রেজিষ্ট্রেশন/হোষ্টিং ইত্যাদি বিষয়কে এড়িয়ে বিনামুল্যে ওয়েবসাইট তৈরী এবং সেখান থেকে আয় করার জন্য ব্লগার বেশি উপযোগি।